মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
আজ, লোড হচ্ছে...
 
Loading stocks...

বাংলাদেশি ওষুধ যাচ্ছে দেড় শর বেশি দেশে


দৈনিক প্রভাতী
ডেস্ক রিপোর্ট, ১০ ফলোয়ার
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৬ এএম

বাংলাদেশি ওষুধ যাচ্ছে দেড় শর বেশি দেশে
বাংলাদেশি ওষুধ যাচ্ছে দেড় শর বেশি দেশে

অর্থনীতি ডেস্ক: গত কয়েক দশকে দেশের ওষুধশিল্প খাতে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধিত হয়েছে এবং বর্তমানে অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ওষুধ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। শুধু দেশের চাহিদা মেটানোই নয়, বরং বিশ্ববাজারেও তৈরি পোশাক খাতের পাশাপাশি নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করছে বাংলাদেশি ওষুধ। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের ১৬২টি দেশে নিয়মিতভাবে জীবনরক্ষাকারীসহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ রপ্তানি করা হচ্ছে। গত কয়েক বছরে এই খাতের রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে এই রপ্তানির পরিমাণ ১০০ কোটি ডলারে উন্নীত হবে। উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হওয়ায় বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ উৎপাদনের জন্য দেশে বর্তমানে তিন শতাধিক নিবন্ধিত ইউনিট সক্রিয় রয়েছে। এর বাইরে ইউনানি, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক ওষুধ উৎপাদনের আরও পাঁচ শর বেশি প্রতিষ্ঠান সুনামের সঙ্গে কাজ করছে। সাম্প্রতিক এক অর্থবছরে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রপ্তানি আয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস। এর পরপরই শীর্ষ অবস্থানগুলোতে রয়েছে একমি ল্যাবরেটরিজ, নিপ্রো জেএমআই, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং রেনাটার মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ছাড়া এরিস্টোফার্মা, এসকেএফ, বীকন, হেলথকেয়ার ও জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যালস নিয়মিতভাবে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার মতো কঠোর মানদণ্ডসম্পন্ন উন্নত দেশের বাজারেও এখন বাংলাদেশি ওষুধের প্রবেশ ঘটছে।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মেধাস্বত্বসংক্রান্ত বিশেষ সুবিধা কাজে লাগিয়ে জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনে সাফল্য পেলেও, এই খাতের দীর্ঘমেয়াদী টেকসই উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কাঁচামাল বা এপিআই আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং গবেষণা ও উন্নয়নে সীমিত বিনিয়োগ এই শিল্পের বড় দুর্বলতা। এছাড়া স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পর মেধাস্বত্ব সুরক্ষার বিশেষ সুবিধা হারালে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লড়াই আরও কঠিন হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ সাব্বির হায়দার মনে করেন, রপ্তানি আরও বাড়াতে হলে বাজারভিত্তিক গবেষণার পাশাপাশি দেশে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পরীক্ষাগার বা ল্যাবরেটরি গড়ে তোলা জরুরি, যা বর্তমানে বিদেশ থেকে করাতে হয়।

আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় করতে নীতিগত সহায়তা ও সরকারি প্রণোদনার কার্যকর ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন উদ্যোক্তারা। বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির সভাপতি ও ইনসেপ্টার চেয়ারম্যান আব্দুল মুক্তাদির এবং মহাসচিব মুহাম্মদ হালিমুজ্জামান উভয়েই মনে করেন, বিদেশি বাজারে ওষুধ নিবন্ধনের উচ্চ ব্যয় এবং কাঁচামাল আমদানির খরচ কমাতে সরকারের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে ঋণ ও ভর্তুকির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে উৎপাদনের মান বজায় রাখা এবং বিভিন্ন দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কঠোর শর্ত সহজে পূরণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন যে, রপ্তানি প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করতে নিবন্ধন ও অনুমোদন প্রদান দ্রুত সম্পন্ন করার কাজ চলছে এবং টিকার রপ্তানি বাড়াতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ম্যাচুরিটি লেভেল-৩ অর্জনের জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান

বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান

আত্মপ্রকাশ করল এনসিপির নতুন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন

আত্মপ্রকাশ করল এনসিপির নতুন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন

শত্রুর সাথেও আমাদের ইনসাফ করা শিখতে হবে: নাহিদ ইসলাম

শত্রুর সাথেও আমাদের ইনসাফ করা শিখতে হবে: নাহিদ ইসলাম

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামোতে অংশীদারিত্ব জোরদারে একমত বাংলাদেশ-জাপান

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামোতে অংশীদারিত্ব জোরদারে একমত বাংলাদেশ-জাপান

অবকাঠামোয় অর্থায়নে বিকল্প উৎস যমুনা সেতু

অবকাঠামোয় অর্থায়নে বিকল্প উৎস যমুনা সেতু

টোকিওতে তারেক রহমানকে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

টোকিওতে তারেক রহমানকে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

সংখ্যালঘু ভোটে চোখ বিএনপি-জামায়াতের, কঠোর নিরাপত্তায় উপনির্বাচন

সংখ্যালঘু ভোটে চোখ বিএনপি-জামায়াতের, কঠোর নিরাপত্তায় উপনির্বাচন

দুই ব্রিটিশ এমপিকে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, পশ্চিম তীরে প্রবেশে বাধা

দুই ব্রিটিশ এমপিকে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, পশ্চিম তীরে প্রবেশে বাধা

উষ্ণ অভ্যর্থনা, গার্ড অব অনারের পর তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সানায়ে তাকাইচি

উষ্ণ অভ্যর্থনা, গার্ড অব অনারের পর তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সানায়ে তাকাইচি

জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

দৈনিক প্রভাতী

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


বাংলাদেশি ওষুধ যাচ্ছে দেড় শর বেশি দেশে

প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

অর্থনীতি ডেস্ক: গত কয়েক দশকে দেশের ওষুধশিল্প খাতে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধিত হয়েছে এবং বর্তমানে অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ওষুধ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। শুধু দেশের চাহিদা মেটানোই নয়, বরং বিশ্ববাজারেও তৈরি পোশাক খাতের পাশাপাশি নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করছে বাংলাদেশি ওষুধ। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের ১৬২টি দেশে নিয়মিতভাবে জীবনরক্ষাকারীসহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ রপ্তানি করা হচ্ছে। গত কয়েক বছরে এই খাতের রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে এই রপ্তানির পরিমাণ ১০০ কোটি ডলারে উন্নীত হবে। উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হওয়ায় বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ উৎপাদনের জন্য দেশে বর্তমানে তিন শতাধিক নিবন্ধিত ইউনিট সক্রিয় রয়েছে। এর বাইরে ইউনানি, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক ওষুধ উৎপাদনের আরও পাঁচ শর বেশি প্রতিষ্ঠান সুনামের সঙ্গে কাজ করছে। সাম্প্রতিক এক অর্থবছরে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রপ্তানি আয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস। এর পরপরই শীর্ষ অবস্থানগুলোতে রয়েছে একমি ল্যাবরেটরিজ, নিপ্রো জেএমআই, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং রেনাটার মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ছাড়া এরিস্টোফার্মা, এসকেএফ, বীকন, হেলথকেয়ার ও জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যালস নিয়মিতভাবে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার মতো কঠোর মানদণ্ডসম্পন্ন উন্নত দেশের বাজারেও এখন বাংলাদেশি ওষুধের প্রবেশ ঘটছে।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মেধাস্বত্বসংক্রান্ত বিশেষ সুবিধা কাজে লাগিয়ে জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনে সাফল্য পেলেও, এই খাতের দীর্ঘমেয়াদী টেকসই উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কাঁচামাল বা এপিআই আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং গবেষণা ও উন্নয়নে সীমিত বিনিয়োগ এই শিল্পের বড় দুর্বলতা। এছাড়া স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পর মেধাস্বত্ব সুরক্ষার বিশেষ সুবিধা হারালে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লড়াই আরও কঠিন হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ সাব্বির হায়দার মনে করেন, রপ্তানি আরও বাড়াতে হলে বাজারভিত্তিক গবেষণার পাশাপাশি দেশে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পরীক্ষাগার বা ল্যাবরেটরি গড়ে তোলা জরুরি, যা বর্তমানে বিদেশ থেকে করাতে হয়।

আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় করতে নীতিগত সহায়তা ও সরকারি প্রণোদনার কার্যকর ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন উদ্যোক্তারা। বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির সভাপতি ও ইনসেপ্টার চেয়ারম্যান আব্দুল মুক্তাদির এবং মহাসচিব মুহাম্মদ হালিমুজ্জামান উভয়েই মনে করেন, বিদেশি বাজারে ওষুধ নিবন্ধনের উচ্চ ব্যয় এবং কাঁচামাল আমদানির খরচ কমাতে সরকারের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে ঋণ ও ভর্তুকির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে উৎপাদনের মান বজায় রাখা এবং বিভিন্ন দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কঠোর শর্ত সহজে পূরণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন যে, রপ্তানি প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করতে নিবন্ধন ও অনুমোদন প্রদান দ্রুত সম্পন্ন করার কাজ চলছে এবং টিকার রপ্তানি বাড়াতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ম্যাচুরিটি লেভেল-৩ অর্জনের জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।


দৈনিক প্রভাতী

Editor : M S N Masook
Mobile: 01994422789

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
বাংলাদেশি ওষুধ যাচ্ছে দেড় শর বেশি দেশে
0:00 / 0:00
1x