মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
আজ, লোড হচ্ছে...
 
Loading stocks...

আর্কাইভ দেখুন

যুদ্ধের হিসাব, জনতার রায়—নেতানিয়াহুর ভাগ্যপরীক্ষার দিন আজ

যুদ্ধের হিসাব, জনতার রায়—নেতানিয়াহুর ভাগ্যপরীক্ষার দিন আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থা এবং তীব্র অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক মেরুকরণের মধ্য দিয়ে ইসরাইলে গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশটির ইতিহাসে দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবারও নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছেন। গত কয়েক বছর ধরে গাজা সংঘাত, হামাসের আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষেত্রে ব্যর্থতার অভিযোগ এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতা তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং ডানপন্থী ভোটারদের শক্তিশালী সমর্থনের জোরে তিনি এখনও ক্ষমতার লড়াইয়ে টিকে থাকার পূর্ণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় সময় সকাল থেকে শুরু হওয়া এই ভোটাভুটিতে ১২০ আসন বিশিষ্ট পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যাবে, তা নির্ধারণে ব্যস্ত সাধারণ জনগণ।নির্বাচনী জনমত জরিপ অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি এবং সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাচ্ছে। যুদ্ধকালীন নেতৃত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের সুসম্পক্ষকে প্রধান প্রচারের হাতিয়ার বানিয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন এবং ইরানের হুমকি মোকাবিলায় যৌথ পদক্ষেপের বিষয়টিকে তিনি ভোটারদের সামনে বড় করে তুলেছেন। অন্যদিকে, আইজেনকট নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ভয় ও হুমকির রাজনীতি করার অভিযোগ এনে দেশবাসীকে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। এই নির্বাচনে কোনো পক্ষই এককভাবে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।ক্ষমতায় টিকে থাকার লড়াইয়ে নেতানিয়াহুকে আবারও কট্টর ডানপন্থী নেতা ইতামার বেন গভির ও বেজালেল স্মোতরিচের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে। যদিও তাদের উগ্রপন্থী নীতির কারণে আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে এবং কিছু পশ্চিমা দেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, তবুও স্থানীয় রাজনীতিতে তাদের প্রভাব যথেষ্ট শক্তিশালী। অন্যদিকে, বিরোধীরা বলছেন যে নেতানিয়াহুর ক্ষমতার অবসান না ঘটলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরাইলের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে না। এছাড়া ৭ অক্টোবরের হামলার দায়ভার কার ওপর বর্তাবে এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও তীব্র মতপার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে।ইসরাইলি রাজনীতিতে দেশটির আরব সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভোটও এবারের নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত এসব নাগরিকের বড় অংশ ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হলে ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে কোনো দলই বিশাল ব্যবধানে জয়ী হবে না, বরং সামান্য ব্যবধানেই নির্ধারিত হবে পরবর্তী সরকার কার হাতে যাবে। যদি শেষ পর্যন্ত সংসদীয় সমীকরণ মেলানো সম্ভব না হয়, তবে নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহুকেই তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যেতে হতে পারে।


যুক্তরাষ্ট্রে ভোট জালিয়াতি ধরিয়ে দিলে মিলবে ১০ লাখ ডলার: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে ভোট জালিয়াতি ধরিয়ে দিলে মিলবে ১০ লাখ ডলার: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক বা আসন্ন নির্বাচনে কোনো ধরনের ভোট জালিয়াতির তথ্য দিয়ে সহযোগিতাকারীদের জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এই লোভনীয় পুরস্কারের কথা জানান যুক্তরাষ্ট্রের এই সাবেক প্রেসিডেন্ট। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং শেষ পর্যন্ত দোষী সাব্যস্ত করতে সাহায্য করলেই কেবল এই অর্থ প্রদান করা হবে। মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে নানা বিতর্ক চলছে, ঠিক সেই সময়ে তার এই ঘোষণা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেই পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, অতীতের যেকোনো নির্বাচন কিংবা পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনে সংঘটিত অনিয়মের তথ্য এই পুরস্কারের আওতাভুক্ত হবে। তবে এই বিশাল অঙ্কের পুরস্কারের ঘোষণা দিলেও এর রূপরেখা বা কার্যপদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। ঠিক কী ধরনের তথ্য প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে কিংবা অর্থ পরিশোধের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া কেমন হবে, সে বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো পরিষ্কার নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ফলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এই ঘোষণা নিয়ে নানা ধরণের প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা ও নিরাপত্তা নিয়ে বরাবরই দুই প্রধান দলের মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য ও বিতর্ক রয়েছে। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় পক্ষই অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছে। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এই ঘোষণা সেই দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও এক ধাপ উসকে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে আগামী সপ্তাহের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে তার এমন অবস্থান ভোটারদের মধ্যে বেশ কৌতূহল ও উত্তেজনার তৈরি করেছে।আসন্ন এই মধ্যবর্তী নির্বাচন দেশটির রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ এর মাধ্যমে নির্ধারিত হবে মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে যাবে। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে ভোট জালিয়াতি রোধের কথা বলে ট্রাম্পের এই পুরস্কার ঘোষণা বেশ কৌশলগত বলেই ধারণা করা হচ্ছে। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে এ নিয়ে এখনো কোনো বড় প্রতিক্রিয়া না এলেও, সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত এই ঘোষণা নির্বাচনী ফলাফল বা ভোটার উপস্থিতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলে দেবে।


ছাত্র আন্দোলন কীভাবে সার্বিয়ার ভুচিচের ১৪ বছরের ক্ষমতার পতন ঘটাল

ছাত্র আন্দোলন কীভাবে সার্বিয়ার ভুচিচের ১৪ বছরের ক্ষমতার পতন ঘটাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বলকান অঞ্চলের দেশ সার্বিয়ায় দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতার একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখা প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচের রাজনৈতিক সাম্রাজ্য অবশেষে ছাত্র আন্দোলনের তীব্র আন্দোলনের মুখে ভেঙে পড়েছে। দেশজুড়ে গড়ে ওঠা এই শক্তিশালী তারুণ্যের প্রতিবাদ দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমীকরণকে ওলটপালট করে দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। গত দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন এই আন্দোলন দেশটির রাজনৈতিক গতিপথ সম্পূর্ণরূপে বদলে দিতে সক্ষম হয়।সার্বিয়ার বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ছাত্র আন্দোলন কেবল একটি প্রতিবাদ নয়, বরং দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অসন্তোষের বিস্ফোরণ হিসেবে দেখা দিয়েছে। ভুচিচের শাসনামলে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হওয়া, মতপ্রকাশের ওপর কড়াকড়ি এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির অভিযোগ বারবার উঠেছে। তরুণ প্রজন্ম এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামে এবং সাধারণ মানুষকেও নিজেদের পক্ষে উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম হয়। তাদের সুসংগঠিত কর্মসূচি এবং আপসহীন অবস্থানই এই অভাবনীয় রাজনৈতিক পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।আন্দোলনের শুরুর দিকে বর্তমান প্রশাসন এটিকে তেমন গুরুত্ব না দিলেও সময়ের সাথে সাথে এর পরিধি অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পায়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক সমাজ এই আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে রাস্তায় নেমে আসে। সরকারি দমনপীড়ন ও নানা বাধা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি থেকে পিছু হটেনি, যা শেষ পর্যন্ত ক্ষমতাসীন সরকারকে নমনীয় হতে বাধ্য করে।বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতা ধরে রাখা কোনো নেতার পতন ঘটানোর ক্ষেত্রে সার্বীয় শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য অন্যান্য দেশের তরুণ সমাজকেও নতুন করে পথ দেখাবে। এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশটিতে নতুন গণতান্ত্রিক চর্চা এবং রাজনৈতিক সংস্কারের এক নবদিগন্ত উন্মোচিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সার্বিয়ার রাজনীতিতে তারুণ্যের এই বিজয় প্রমাণ করেছে যে, সুসংগঠিত জনরোষের সামনে দীর্ঘদিনের শক্তিশালী রাজনৈতিক আধিপত্যও টিকতে পারে না।


নেতানিয়াহু থাকছেন নাকি বিদায় নিচ্ছেন, রায় আজ

নেতানিয়াহু থাকছেন নাকি বিদায় নিচ্ছেন, রায় আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ ইসরায়েলে ক্ষমতা ধরে রাখা কিংবা পরিবর্তনের লড়াইয়ে দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইসরায়েলি রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় ধরে প্রভাবশালী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেবে, আজকের এই নির্বাচনের ফলাফলের ওপর তা গভীরভাবে নির্ভর করছে। দেশটির সংসদীয় গণতন্ত্রের এই গুরুত্বপূর্ণ ভোটে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি নির্ধারিত হতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, নেসেটের মোট ১২০টি আসনের বিপরীতে এই ভোটাভুটি সম্পন্ন হচ্ছে। সরকার গঠনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে হলে যেকোনো রাজনৈতিক দল বা জোটকে কমপক্ষে ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে হবে। তবে মাঠের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোর ইঙ্গিত বলছে যে, প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রধান শিবিরের কোনোটির পক্ষেই এককভাবে এই জাদুকরী সংখ্যায় পৌঁছানো বেশ কঠিন হবে।নির্বাচনী লড়াইয়ে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন রক্ষণশীল শিবির এবং তার বিরোধী জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিগত বেশ কিছুদিন ধরে চলা রাজনৈতিক অস্থিরতা ও মেরুকরণের প্রেক্ষাপটে দেশটির সাধারণ ভোটাররা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। দুই পক্ষের কেউই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় পরবর্তী সময়ে সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় ছোট দলগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।আজকের এই নির্বাচন শুধু একটি সরকার পরিবর্তনের লড়াই নয়, বরং ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় নীতি ও সামাজিক কাঠামোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণেও এর গভীর প্রভাব রয়েছে। ভোটের আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশের পর সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক দরকষাকষি তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। ফলে পুরো বিশ্ববাসীর নজর এখন তেল আবিবের রাজনৈতিক ময়দান এবং নেসেটের এই নির্বাচনের ফলাফলের দিকে নিবদ্ধ রয়েছে।


সারের ডিলারে স্বজন তোষণ

সারের ডিলারে স্বজন তোষণ

জাতীয় ডেস্ক: কৃষকদের দোরগোড়ায় সহজে ও ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নতুন করে সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে যে, কৃষি কাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন এবং সার ব্যবসার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই এমন ব্যক্তি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী নেতা ও কৃষি কর্মকর্তাদের আত্মীয়স্বজনদের ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে স্বচ্ছতার কথা বলা হলেও বিরোধী দল, ভুক্তভোগী কৃষক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন যে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা হাসিলের উদ্দেশ্যে এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অনিয়মের মাধ্যমে ডিলারশিপ পাওয়া ব্যক্তিরা ভবিষ্যতে নিজেদের আর্থিক স্বার্থরক্ষার জন্য বাজারে কৃত্রিম সার সংকট তৈরি করতে পারেন।দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত ডিলারদের একটি বড় অংশের নিজস্ব গুদাম বা সার বিক্রির প্রয়োজনীয় সক্ষমতাও নেই। যশোরের চৌগাছা উপজেলায় অনুমোদিত ডিলারদের তালিকায় স্থানীয় বিএনপি নেতাদের স্ত্রী ও স্বজনদের নাম রয়েছে, যেখানে পূর্বে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আবেদনকারীরা বাদ পড়েছেন। একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে ময়মনসিংহের গফরগাঁও এবং কুড়িগ্রাম জেলায়, যেখানে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও দলের প্রভাবশালী নেতাদের পরিবার এবং ঘনিষ্ঠজনদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলায় যুবদল, ছাত্রদল ও বিএনপি নেতাদের স্ত্রী ও সন্তানরা ডিলারশিপ পেয়েছেন। এমনকি বরিশালের বানারীপাড়ায় কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই স্থানীয় এক নেতার দুই ভাই ডিলার হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। নোয়াখালীতে এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে নিজের বাবাকে ডিলার করানোর অভিযোগও উঠেছে।সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতির এই অভিযোগ কেবল মাঠপর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং ক্ষমতাসীন দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও প্রকাশ্যে এসেছে। ময়মনসিংহের গৌরীপুরে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেন যে প্রতিটি ডিলারশিপ প্রদানে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার অনৈতিক লেনদেন হয়েছে এবং লটারিতে এগিয়ে থেকেও তিনি ডিলারশিপ পাননি। অন্যদিকে, মৌলভীবাজার ও সাতক্ষীরা জেলায় নতুন ডিলারের বড় একটি অংশই স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও তাঁদের অনুসারী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে দেশের বিভিন্ন মহলে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে এবং সার বিতরণব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও দলীয়করণের এই অভিযোগগুলো প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও কৃষি খাতের কর্মকর্তারা তা অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে সম্পূর্ণ নীতিমালার আলোকেই যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বাছাই কমিটির সুপারিশকে প্রাধান্য দিয়েই এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে অভিযোগের মাত্রা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং ডিলার নিয়োগের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এই তিন সদস্যের কমিটি পুরো ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া, সার বিতরণ এবং মজুত ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখবে বলে জানা গেছে।


রাকসুর মেয়াদ শেষ ভোট কবে ঠিক নেই

রাকসুর মেয়াদ শেষ ভোট কবে ঠিক নেই

জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘ ৩৫ বছর পর সচল হওয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নির্বাচিত কমিটির এক বছর মেয়াদের কার্যক্রম সম্প্রতি শেষ হয়েছে। গত বছর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির গণতান্ত্রিক চর্চা শুরু হয়েছিল। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মেয়াদ এক বছর পূর্ণ হওয়ায় বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট সময়ে পরবর্তী নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো দৃশ্যমান প্রস্তুতি শুরু করা হয়নি। ফলশ্রুতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগামী নির্বাচন নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা ও সংশয় তৈরি হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি পরীক্ষা, ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিবেশ এবং আর্থিক হিসাব নিরীক্ষার মতো বিষয়গুলো নিয়ে বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছে কর্তৃপক্ষ। ফলে চলতি বছরেই পরবর্তী ছাত্র সংসদ নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।সর্বশেষ গত বছরের ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল বড় ধরনের বিজয় অর্জন করেছিল। নির্বাচনের আগে বিজয়ী প্রার্থীরা নিয়মিত প্রতি বছর ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জোরালো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে নির্ধারিত এক বছর সময় পার হয়ে গেলেও নতুন নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এদিকে বিদায়ী কমিটির সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। একদল শিক্ষার্থী নিয়মিত নির্বাচন আয়োজনের দাবি তুললেও অন্য একটি অংশ বিদায়ী কমিটির ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উত্থাপন করছে। এর ফলে ক্যাম্পাসের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিদায়ী কমিটির মূল্যায়ন নিয়ে যেমন আলোচনা চলছে, তেমনই নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে।বিদায়ী কমিটির সহসভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর মতে, পূর্ববর্তী প্রশাসনের তুলনায় বর্তমান প্রশাসন ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে তেমন কোনো আগ্রহ দেখাচ্ছে না। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় থেকে প্রশাসন দায়সারা মনোভাব প্রদর্শন করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এমনকি ভবিষ্যতে এই ছাত্র সংসদ নির্বাচন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি। অন্যদিকে রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান জানিয়েছেন যে নির্বাচন আয়োজনের জন্য যে ধরনের প্রস্তুতি প্রয়োজন, তা এই মুহূর্তে প্রশাসনের নেই। উপাচার্যের পক্ষ থেকেও নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা বা বার্তা এখনো পাওয়া যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।তবে নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে না দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান যে ক্যাম্পাসের পরিবেশ-পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে চলতি বছরে নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনা খুবই কম বলে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন যে বর্তমানে তাদের সামনে ভর্তি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার ব্যস্ততা শেষ না করে এত বড় একটি নির্বাচন আয়োজন করা অত্যন্ত দুরূহ একটি ব্যাপার। এছাড়া পূর্ববর্তী হিসাব-নিকাশ অডিট বা নিরীক্ষা না করে তফসিল ঘোষণার কোনো সুযোগ নেই বলেও উপাচার্য স্পষ্ট করে জানিয়েছেন।


চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন: মেয়রের মেয়াদ শেষের আট মাসের কী হবে

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন: মেয়রের মেয়াদ শেষের আট মাসের কী হবে

রাজনীতি ডেস্ক: আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব নেওয়ার পর এবার নতুন এক আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় পড়েছেন বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত হোসেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্প্রতি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে এই নিয়োগের ফলে তাঁর আগের মেয়াদের বৈধতা নিয়ে নগরজুড়ে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সূত্রপাত হয়েছে। বিশেষ করে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও গত আট মাস ধরে তাঁর দায়িত্ব পালন এবং ওই সময়ে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী ষষ্ঠ পরিষদের নির্ধারিত মেয়াদ আগেই শেষ হওয়ায় এই নতুন পদায়ন নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।আইনি বিধান পর্যালোচনায় দেখা যায়, স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন আইন অনুযায়ী কোনো সিটির মেয়াদ প্রথম সভার তারিখ থেকে পাঁচ বছর ধরা হয় এবং নির্দিষ্ট সময় পর পরিষদ বিলুপ্ত হয়ে যায়। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ষষ্ঠ পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার সুবাদে গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসেই ওই পরিষদের মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়। অথচ আইনি লড়াইয়ের পর আদালতের রায়ে গত বছর নভেম্বর মাসে মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন শাহাদাত হোসেন। সে সময় তিনি দাবি করেছিলেন যে আদালতের রায় অনুযায়ী তিনি ২০২৯ সাল পর্যন্ত এই পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিনি মূল নির্বাচনের ফল সংশোধন করে স্থলাভিষিক্ত হওয়ায় তাঁর মেয়াদ মূলত পূর্বের নির্ধারিত সময়ই হিসাব করা উচিত ছিল।এদিকে এই প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বিভিন্ন পক্ষ আইনি ও নৈতিক প্রশ্ন তুলেছে। সুশাসনের জন্য নাগরিক বা সুজনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ মনে করছেন, মেয়াদের বাইরে গিয়ে যেসব সিদ্ধান্ত বা দায়িত্ব তিনি পালন করেছেন সেগুলোর আইনি ভিত্তি কী হবে, তা সময় বলে দেবে। অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলে এই নিয়োগ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা দাবি করেছেন যে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও তাঁকে প্রশাসক বানানো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং এই সময়ে গৃহীত সুযোগ-সুবিধা ও সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। এমনকি সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিও তুলেছে কোনো কোনো রাজনৈতিক সংগঠন।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর কাছে পরাজিত হওয়ার পর কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছিলেন শাহাদাত হোসেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ট্রাইব্যুনালের রায়ে তাঁকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় এবং নির্বাচন কমিশন সংশোধিত গেজেট প্রকাশের পর তিনি মেয়রের চেয়ারে বসেন। তৎকালীন সেই ফলাফল পরিবর্তনের পর থেকেই তাঁর মেয়াদকাল কত দিন হবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। বর্তমান প্রশাসক হিসেবে নতুন এই নিয়োগের ফলে সেই বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে এবং নগর প্রশাসনের কার্যক্রমে এর কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে এখন নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে।


স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ভোটে আবার ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ আঁতাত’

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ভোটে আবার ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ আঁতাত’

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিবর্তনের পর থেকেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে এবং দলটির অনেক শীর্ষ নেতা বর্তমানে পলাতক জীবনযাপন করছেন। তা সত্ত্বেও আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর হিসাব-নিকাশে বারবার ঘুরেফিরে আসছে আওয়ামী লীগের প্রসঙ্গ। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী একুশে জানুয়ারি থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যা আগামী বছরের মে মাস পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। এই ভোটের বৈতরণী পার হতে কোন দল কার শরণাপন্ন হচ্ছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা।নির্বাচনী প্রস্তুতি হিসেবে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি তৃণমূল পর্যায় থেকে একক প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছে যাতে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে। অন্যদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে অংশ নিলেও জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজেদের মতো করে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এমন প্রেক্ষাপটে মাঠের রাজনীতিতে দৃশ্যমান লড়াইয়ের পাশাপাশি প্রধান দলগুলোর মধ্যে পর্দার আড়ালে সমঝোতার গুঞ্জনও জোরদার হয়েছে। বিশেষ করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক নিজেদের পক্ষে টানতে কে কার সঙ্গে গোপন সমঝোতা করছে, তা নিয়ে চলছে তীব্র রাজনৈতিক দড়িটানাটানি।নির্বাচনী সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যে জামায়াতে ইসলামী গোপনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করছে বলে সম্প্রতি জোরালো অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করছেন, স্থানীয় পর্যায়ে সুবিধা নিতে জামায়াত ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় অংশ একজোট হয়ে কাজ করার চেষ্টা করছে। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স সম্প্রতি গণমাধ্যমে এই আশঙ্কার কথা প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, তৃণমূল পর্যায়ে এই ধরনের অনৈতিক জোট গঠনের আলামত ইতোমধ্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।তবে বিএনপির এই অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে জামায়াতে ইসলামী এবং উল্টো প্রতিপক্ষ দলের বিরুদ্ধেই একই ধরনের আঁতাতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এনেছে। জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান এবং দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার দাবি করেছেন যে, ভোটের মাঠে সুবিধা পাওয়ার জন্য বিএনপি নিজেই ভেতরে ভেতরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে। অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকেও বিএনপির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টার অভিযোগ তোলা হয়েছে, যদিও এনসিপি জানিয়েছে যে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে সরাসরি জড়িত নয় এমন আওয়ামী-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের সমর্থনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।


বিদেশি অর্থছাড় কমল ৪২ শতাংশ

বিদেশি অর্থছাড় কমল ৪২ শতাংশ

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের অর্থনৈতিক খাতে বিদেশি উন্নয়ন সহায়তার অর্থ ছাড়ের গতি উল্লেখযোগ্য হারে শ্লথ হয়ে পড়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থা থেকে ঋণ ও অনুদান বাবদ মোট ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ডলার পাওয়া গেছে। অথচ এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে সহায়তার এই পরিমাণ ছিল ১১৪ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বৈদেশিক সহায়তার অর্থ ছাড় কমেছে প্রায় ৪৮ কোটি ৬২ লাখ ডলার বা শতকরা হিসেবে ৪২ শতাংশ।উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে বৈদেশিক অর্থায়নের প্রবাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি সরকারের ওপর পুরোনো ঋণ পরিশোধের বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। আলোচিত তিন মাসের ব্যবধানে বৈদেশিক ঋণের মূল ও সুদ বাবদ সরকারকে মোট ১৩৫ কোটি ১৩ লাখ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই খাতে ১২৭ কোটি ৯৯ লাখ ডলার পরিশোধ করা হয়েছিল। অর্থাৎ নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থ পাওয়ার হার কমলেও পুরোনো দায় মেটানোর জন্য সরকারকে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।আলোচ্য সময়ে প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ছাড় হওয়া অর্থের মধ্যে ঋণ ছিল ৫৪ কোটি ১৭ লাখ ডলার এবং অনুদান হিসেবে এসেছে ১২ কোটি ৫ লাখ ডলার। অর্থ ছাড়ের পরিমাণ হ্রাস পেলেও এই সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের পক্ষ থেকে নতুন ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি পাওয়ার প্রবণতা কিছুটা বেড়েছে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে ১২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের নতুন প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৯১ কোটি ৬ লাখ ডলার। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, বড় কোনো উন্নয়ন সহযোগী যেমন বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক কিংবা চীন ও ভারতের কাছ থেকে নতুন কোনো ঋণের বড় প্রতিশ্রুতি আসেনি।নতুন প্রতিশ্রুতির বড় অংশ না মিললেও পূর্বের চুক্তি অনুযায়ী কিছু বড় সংস্থা তাদের অর্থ ছাড়ের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এই সময়ে বিশ্বব্যাংক ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ডলার এবং এডিবি ১৬ কোটি ২১ লাখ ডলার ছাড় করেছে। পাশাপাশি ভারত থেকে সাড়ে ১০ কোটি, রাশিয়া থেকে দুই কোটি এবং চীন থেকে দেড় কোটি ডলার পাওয়া গেছে। এছাড়া খাদ্য সহায়তা বাবদ আগের বছরের মতোই এক কোটি ডলার ছাড় করা হলেও এই খাতে নতুন কোনো প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি। সবমিলিয়ে বৈদেশিক সহায়তার এই সমীকরণ দেশের সার্বিক অর্থনীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পে নতুন এক চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করেছে।


শ্রীমঙ্গলে লোকালয়ে অজগর ও বিপন্ন শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার

শ্রীমঙ্গলে লোকালয়ে অজগর ও বিপন্ন শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার

জাতীয় ডেস্ক: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় দুটি ভিন্ন স্থান থেকে একটি অজগর এবং একটি বিপন্ন প্রজাতির শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের উদ্ধারকর্মীরা স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সাপ দুটিকে অক্ষত অবস্থায় ধরে আনতে সক্ষম হন। পরবর্তী সময়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত বন বিভাগের কাছে উদ্ধারকৃত প্রাণীগুলো হস্তান্তর করা হয়।ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, পূর্ব নওয়াগাঁও এলাকার একটি রাস্তার পাশে জালে জড়িয়ে পড়েছিল একটি অজগর সাপ। স্থানীয় এক সাংবাদিক বিষয়টি দেখতে পেয়ে দ্রুত বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে খবর পাঠান। খবর পাওয়া মাত্রই সংগঠনের পরিচালক স্বপন দেব সজলের নেতৃত্বে একদল পরিবেশকর্মী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং প্রায় কুড়ি মিনিটের চেষ্টায় জাল কেটে সাপটিকে মুক্ত করেন।অন্যদিকে, একই দিনে রামনগর মণিপুরি পাড়া এলাকার একটি বসতবাড়ির পাশ থেকে আরেকটি বিরল প্রজাতির সাপ উদ্ধার করা হয়। খলিলুর রহমান নামের এক ব্যক্তির ঘরের পাশে সাপটি দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাড়ির বাসিন্দারা। পরে তারা বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে খবর দিলে উদ্ধারকর্মীরা সেখানে পৌঁছে সাপটিকে বিপন্ন শঙ্খিনী হিসেবে শনাক্ত করেন।শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজী নাজমুল ইসলাম জানান, শঙ্খিনী অত্যন্ত বিষধর প্রকৃতির হলেও এটি সাধারণত লাজুক স্বভাবের কারণে মানুষের সামনে সচরাচর আসে না। উদ্ধার করা এই দুটি সাপকে পরবর্তীতে নিরাপদ প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হবে বলে বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।


নির্মাণের এক সপ্তাহেই পায়ের ঘষায় উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং

নির্মাণের এক সপ্তাহেই পায়ের ঘষায় উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং

জাতীয় ডেস্ক: জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার গলাকাটা থেকে আংড়া পর্যন্ত নবনির্মিত সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই তা উঠে যাওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি, সামান্য পায়ের ধাক্কা বা ঘষাতেই পিচ ও পাথর খসে পড়ছে, যা অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের স্পষ্ট প্রমাণ। প্রায় পঁচাশি লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়কটির এমন বেহাল দশায় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং কাজের মান নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় লিনা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই এক কিলোমিটার সড়ক পাকাকরণের কাজটি বাস্তবায়ন করেছে। কার্যাদেশ পাওয়ার পর সম্প্রতি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তারা কাজ শেষ করে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, কার্পেটিংয়ের প্রাথমিক পর্যায়ে নিম্নমানের ইট এবং বালুর বদলে মাটি ও রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছিল, যার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল সাধারণ মানুষ। সে সময় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে কাজের মান ভালো করার আশ্বাস দেওয়া হলেও পরবর্তীতে তা রক্ষা করা হয়নি।এদিকে সড়কের পিচ ও পাথর উঠে যাওয়ার বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। সম্প্রতি ঠিকাদারের লোকজন পরিদর্শনের জন্য এলাকায় গেলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে তাদের তীব্র বাকবিতণ্ডা ও একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে পাঁচবিবি পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল ফেরদৌস রাইটসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।স্থানীয় আটাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ স ম আরেফিন চৌধুরীও সড়কের কাজে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারের প্রতিনিধি মাহাবুব ইলাহী দাবি করেছেন যে গ্রামবাসীদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিটুমিন পুরোপুরি জমাট বাঁধতে কিছুটা সময় প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে পাঁচবিবি উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান দাবি করেছেন নিয়ম মেনেই কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে এবং কিছু মানুষ নিজেরা পিচ তুলে ভিডিও বানিয়ে তা প্রচার করছেন।


ইরানকে বাদ দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা সম্ভব নয়: ওমান

ইরানকে বাদ দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা সম্ভব নয়: ওমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে স্থানীয় দেশগুলোকেই প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করে ওমান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা এবং ভূগোলের বিষয়টি মাথায় রেখে নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজাতে হবে।ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো থেকে ইরানকে পরিকল্পিতভাবে দূরে রাখা হয়েছে। এই নীতির কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, তেহরানকে বাইরে রেখে আঞ্চলিক নিরাপত্তার কোনো স্থায়ী ও কার্যকর রূপরেখা প্রস্তুত করা সম্ভব নয়।বদর আল-বুসাইদি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, ইরানকে বাদ দিয়ে যে ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হয়েছে, তা জন্মগতভাবেই দুর্বল ও ভঙ্গুর। তাই এই অঞ্চলের দেশগুলোকেই নিজেদের উদ্যোগেই একটি সমন্বিত ও নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করতে হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতার একটি বিশেষ সুযোগ তৈরি হয়েছিল। মাস দুয়েক আগে ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে একটি ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং একটি সম্ভাব্য চুক্তির পথও সুগম হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।ভবিষ্যতের কর্মপন্থা সম্পর্কে আল-বুসাইদি বলেন, বাইরের পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে সামরিক অংশীদারিত্বের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। ওমান চায় উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো সামরিক চুক্তির পরিবর্তে পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখুক।


পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধার তীব্র নিন্দা নাহিদ ইসলামের

পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধার তীব্র নিন্দা নাহিদ ইসলামের

পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই নিন্দা জানান। নিন্দা জানাতে গিয়ে তিনি বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে জানাজা পড়া ও লাশ দাফনের অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রসঙ্গ টেনেছেন। উল্লেখ্য, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতের সাবেক নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী গত শনিবার মারা যান। তাকে পিরোজপুরে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দিলে জামায়াতের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা তাঁকে দাফন না করার দাবি জানান। পরে শনিবার রাতে পিরোজপুর সদর উপজেলার চিতলিয়া গ্রামে নিজ বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। ফেসবুক পোস্টে নাহিদ ইসলাম লেখেন যে জানাজা ও লাশ দাফনের অধিকার যেকোনো মানুষের ন্যূনতম মানবিক ও ধর্মীয় অধিকার এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ এই অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ফ্যাসিবাদের বিপরীতে তাদের ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং সব নাগরিকের মানবিক মর্যাদা ও মানবাধিকারের পক্ষে থাকতে হবে।


দৌলতপুরে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা অর্ধশতাধিক স্কুল ভবন ঝুঁকিপূর্ণ

দৌলতপুরে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা অর্ধশতাধিক স্কুল ভবন ঝুঁকিপূর্ণ

জাতীয় ডেস্ক: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে নানা সংকটে জর্জরিত রয়েছে। কোমলমতি শিশুরা যখন শিক্ষার আলো নিতে বিদ্যালয়ে যায়, তখন তাদের কাটাতে হয় চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগের মধ্য দিয়ে। অধিকাংশ সময় শ্রেণিকক্ষের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার ভয়ে তটস্থ থাকে শিক্ষার্থীরা। জরাজীর্ণ এসব ভবনের ছাদের পলেস্তারা ধসে পড়ে ভেতরের মরিচা ধরা রডগুলো বেরিয়ে পড়েছে, যা শিশু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে চরম হুমকিতে ফেলে দিয়েছে। এই দুরবস্থার কারণে অভিভাবক এবং শিক্ষকদের মনেও শঙ্কা দিন দিন বেড়েই চলেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমন বেহাল দশা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষা কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই অঞ্চলে মোট ২১৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে নব্বইয়ের দশকের প্রথমার্ধে নির্মিত তিন কক্ষবিশিষ্ট বহু ভবন এখন ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, উপজেলার প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি বিদ্যালয়ে নতুন কোনো ভবন নির্মাণ করা হয়নি এবং পুরোনো অবকাঠামোগুলো চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। অনেক স্থানে জরাজীর্ণ ভবনগুলো পরিত্যক্ত ঘোষণা করে বিকল্প টিনশেড ঘরে কিংবা অন্য কোনো উপায়ে পাঠদান চালু রাখা হয়েছে। কিন্তু এই বিকল্প ব্যবস্থাও প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল এবং অস্বস্তিকর।মাঠপর্যায়ের চিত্র আরও বেশি উদ্বেগজনক ও শোচনীয়। উদাহরণস্বরূপ, চর আমলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মূল ভবনের ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাধ্য হয়ে একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। অপরদিকে, পিপুলবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে জায়গা না পেয়ে সিঁড়ির নিচের ছোট অংশকে অফিসকক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, ক্লাসের সময় প্রায়ই ছাদ থেকে সুরকি ও পলেস্তারা খসে পড়ে। এ কারণে তারা সব সময় বড় কোনো দুর্ঘটনার ভয়ে আতঙ্কিত থাকে এবং ঠিকমতো পড়াশোনায় মন দিতে পারে না।ভবন সংকটের পাশাপাশি কিছু বিদ্যালয়ে দেখা গেছে তীব্র শ্রেণিকক্ষ সংকট। তালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কক্ষের অভাবে একটিমাত্র ঘরের মাঝখানে কাপড়ের পর্দা ঝুলিয়ে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। সেই পর্দার দুই পাশে একসঙ্গে দুটি ভিন্ন শ্রেণির পাঠদান চালানো হয়। শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে এই পদ্ধতিতে ক্লাস নিলেও পাশের শ্রেণির কোলাহলে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ মারাত্মকভাবে নষ্ট হয়। বিদ্যালয়টির শিক্ষকরা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত কক্ষ না থাকায় বাধ্য হয়ে তাদের এই নজিরবিহীন পথ বেছে নিতে হয়েছে এবং দ্রুত নতুন ভবন বরাদ্দ না পেলে শিক্ষার মান ধরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে।দৌলতপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মেদ এই সার্বিক সংকটের সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো ভবনগুলোর তালিকা তৈরি করে ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। পিডিপি-৪ প্রকল্পের আওতায় বেশ কিছু উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং নতুন করে পিডিপি-৫ এর কার্যক্রম শুরু হলে সমস্যার সমাধান মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে এসব জরাজীর্ণ ভবনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে এবং শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর ও নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন ফিরে পাবে।


'ক্রসফায়ার' নিয়ে আইজিপির মন্তব্যের পর কেন 'ব্যাখ্যা' দিতে হলো পুলিশকে?

'ক্রসফায়ার' নিয়ে আইজিপির মন্তব্যের পর কেন 'ব্যাখ্যা' দিতে হলো পুলিশকে?

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশের পুলিশ মহাপরিদর্শকের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ এই কর্মকর্তার বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন উত্থাপিত হয়। বিশেষ করে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা ক্রসফায়ার সংক্রান্ত এই মন্তব্য সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলে উদ্বেগ তৈরি করে। ফলে বিষয়টি নিয়ে জনপরিসরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায় এবং এর তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।পুলিশ প্রধানের ওই বক্তব্যের পরপরই দেশের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। মানবাধিকারকর্মীরা মনে করছেন, এ ধরনের বক্তব্য আইনের শাসন এবং নাগরিক অধিকারের পরিপন্থী। তারা অবিলম্বে এই মন্তব্যের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা দাবি করেন। একই সঙ্গে মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি কঠোর আহ্বান জানানো হয়।মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পাশাপাশি দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোও এই ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে পুলিশ প্রধানকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি তোলা হয়। এমনকি তার পদত্যাগ বা অপসারণের দাবিও জোরালোভাবে উত্থাপন করেন রাজনৈতিক নেতারা। তাদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য সমাজে ভীতি সৃষ্টি করতে পারে এবং বিচার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।চারদিক থেকে তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশ সদরদপ্তর থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, আইজিপির বক্তব্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে অথবা তার প্রকৃত অর্থ ভিন্ন ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে পুলিশের অবস্থান সবসময় ইতিবাচক রয়েছে বলে জানানো হয়। তবে এই ব্যাখ্যা বিতর্কের আগুনে পানি ঢালতে কতটা সফল হয়েছে, তা নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়ে গেছে।


ব্যালন ডি’অরের আগমুহূর্তে কী সিদ্ধান্ত নিলেন এমবাপ্পে

ব্যালন ডি’অরের আগমুহূর্তে কী সিদ্ধান্ত নিলেন এমবাপ্পে

খেলা ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডিঅরের জমকালো আসর ঘিরে ভক্তদের মাঝে উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের নামী দামি তারকাদের উপস্থিতিতে এই আয়োজনটি এক অভূতপূর্ব রূপ নিতে চলেছে। প্রখ্যাত ক্রীড়া সাংবাদিক ফাব্রিৎসিও রোমানোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই অনুষ্ঠানে স্বশরীরে উপস্থিত থাকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। ব্যালন ডিঅরের দৌড়ে মনোনীত এই তারকা ফরোয়ার্ডের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটির আকর্ষণ আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।এমবাপ্পের এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা ভাঙার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর আগে বিভিন্ন মতবিরোধ ও ক্ষোভের কারণে ক্লাবটির কর্তাব্যক্তিরা দীর্ঘদিন এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান থেকে নিজেদের দূরে রেখেছিলেন। বিশেষ করে গত দুই বছর ধরে রিয়ালের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিনিধি অনুষ্ঠানে পাঠানো হয়নি। তবে এবার কিলিয়ান এমবাপ্পের উপস্থিতির মাধ্যমে ক্লাবটির সেই অনীহা কেটে যাচ্ছে এবং তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই আসরে ফিরছে।ফুটবলভিত্তিক এই বিশ্বমঞ্চে কেবল এমবাপ্পেই নন, বরং আরও অনেক তারকা ফুটবলারের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। ফাব্রিৎসিও রোমানোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোল মেশিন খ্যাত হারি কেইন এবং উদীয়মান তারকা লামিনে ইয়ামালও এবারের ব্যালন ডিঅর আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন। এই দুই ফুটবলারও মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। বিশ্ব ফুটবলের বর্তমান প্রজন্মের সেরা তারকাদের এমন মিলনমেলা অনুষ্ঠানটিকে আরও বেশি জমজমাট ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলবে।উল্লেখ্য যে, অতীতে উয়েফার সঙ্গে বিরোধ এবং পুরস্কার প্রদান সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের অসন্তোষের কারণে এই দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে বিগত বছরগুলোতে ভিনিসিউস জুনিয়রের মতো তারকাদের মূল্যায়ন না হওয়া নিয়ে ক্লাবটি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল। তবে সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে এবার দুই পক্ষই একটি ইতিবাচক সমঝোতার দিকে এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। রিয়াল মাদ্রিদের এই প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে মূলত ব্যালন ডিঅর আয়োজকদের সঙ্গে ক্লাবটির দীর্ঘদিনের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে।


স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি