মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
আজ, লোড হচ্ছে...
 
Loading stocks...

চাহিদার চেয়ে বেশি ফল আমদানি, তবু দাম নাগালের বাইরে


দৈনিক প্রভাতী
ডেস্ক রিপোর্ট, ১০ ফলোয়ার
প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৬ এএম

চাহিদার চেয়ে বেশি ফল আমদানি, তবু দাম নাগালের বাইরে
চাহিদার চেয়ে বেশি ফল আমদানি, তবু দাম নাগালের বাইরে

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশে বিদেশি ফলের পর্যাপ্ত আমদানি হওয়া সত্ত্বেও বাজারে দাম কমছে না, বরং গত বছরের তুলনায় সব ধরনের ফল কেজিতে অন্তত ১০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। আপেল, আঙুর, মাল্টা ও কমলার মতো জনপ্রিয় বিদেশি ফলগুলো কিনতে গিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের পকেট ফাঁকা হচ্ছে। দেশের বাজারে বিদেশি ফলের এই বাড়তি দামের প্রভাব পড়েছে দেশি ফলের বাজারেও, যার ফলে সামগ্রিক ফলের বাজার সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। অথচ হিসাব অনুযায়ী চাহিদার তুলনায় দেশে আমদানির পরিমাণ বেশি রয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে বিদেশি ফলের বার্ষিক চাহিদা সাড়ে পাঁচ লাখ টনের কাছাকাছি থাকলেও গত বছর প্রায় পাঁচ লাখ ৩৮ হাজার টন ফল আমদানি করা হয়েছিল। চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে দেশে প্রায় চার লাখ ১২ হাজার টন ফল আমদানি হয়েছে, যা এই সময়ের স্বাভাবিক চাহিদার তুলনায় কিছুটা বেশি। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রধানত রেফার কনটেইনারে করে এসব ফল দেশে প্রবেশ করে। কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাজার হাজার টন আপেল, কমলা ও আঙুর আমদানি হয়েছে, যার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে ফলের দাম কেজিতে অন্তত ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেশি রাখা হচ্ছে। ফল বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি বাজারেই অতিরিক্ত দামে ফল কিনতে হওয়ায় তাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে, যার ফলে অনেক ক্রেতা দাম শুনে ফল না কিনে ফিরে যাচ্ছেন। অন্যদিকে, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বা ক্যাবের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সরকারের বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণেই আমদানির পর ফলের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

ব্যবসায়ীরা ফলের উচ্চমূল্যের পেছনে প্রধানত আকাশচুম্বী শুল্কহার এবং পরিবহন খরচ বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন। কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত প্রতি কেজি ফলের ওপর ভিত্তি মূল্যের পাশাপাশি কাস্টম ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি ও ভ্যাটসহ প্রায় ১২২ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক পরিশোধ করতে হয়। অর্থাৎ ১০০ টাকার ফল দেশে আনতে প্রায় ২৪০ টাকার মতো খরচ পড়ে যায়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রুটে জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধি এবং কিছু অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে সাপ্লাই চেইনে বিঘ্ন ঘটার ফলে ফলের বাজারে এই দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা বিরাজ করছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান

বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান

আত্মপ্রকাশ করল এনসিপির নতুন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন

আত্মপ্রকাশ করল এনসিপির নতুন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন

শত্রুর সাথেও আমাদের ইনসাফ করা শিখতে হবে: নাহিদ ইসলাম

শত্রুর সাথেও আমাদের ইনসাফ করা শিখতে হবে: নাহিদ ইসলাম

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামোতে অংশীদারিত্ব জোরদারে একমত বাংলাদেশ-জাপান

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামোতে অংশীদারিত্ব জোরদারে একমত বাংলাদেশ-জাপান

অবকাঠামোয় অর্থায়নে বিকল্প উৎস যমুনা সেতু

অবকাঠামোয় অর্থায়নে বিকল্প উৎস যমুনা সেতু

টোকিওতে তারেক রহমানকে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

টোকিওতে তারেক রহমানকে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

সংখ্যালঘু ভোটে চোখ বিএনপি-জামায়াতের, কঠোর নিরাপত্তায় উপনির্বাচন

সংখ্যালঘু ভোটে চোখ বিএনপি-জামায়াতের, কঠোর নিরাপত্তায় উপনির্বাচন

দুই ব্রিটিশ এমপিকে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, পশ্চিম তীরে প্রবেশে বাধা

দুই ব্রিটিশ এমপিকে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, পশ্চিম তীরে প্রবেশে বাধা

উষ্ণ অভ্যর্থনা, গার্ড অব অনারের পর তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সানায়ে তাকাইচি

উষ্ণ অভ্যর্থনা, গার্ড অব অনারের পর তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সানায়ে তাকাইচি

জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

দৈনিক প্রভাতী

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


চাহিদার চেয়ে বেশি ফল আমদানি, তবু দাম নাগালের বাইরে

প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশে বিদেশি ফলের পর্যাপ্ত আমদানি হওয়া সত্ত্বেও বাজারে দাম কমছে না, বরং গত বছরের তুলনায় সব ধরনের ফল কেজিতে অন্তত ১০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। আপেল, আঙুর, মাল্টা ও কমলার মতো জনপ্রিয় বিদেশি ফলগুলো কিনতে গিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের পকেট ফাঁকা হচ্ছে। দেশের বাজারে বিদেশি ফলের এই বাড়তি দামের প্রভাব পড়েছে দেশি ফলের বাজারেও, যার ফলে সামগ্রিক ফলের বাজার সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। অথচ হিসাব অনুযায়ী চাহিদার তুলনায় দেশে আমদানির পরিমাণ বেশি রয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে বিদেশি ফলের বার্ষিক চাহিদা সাড়ে পাঁচ লাখ টনের কাছাকাছি থাকলেও গত বছর প্রায় পাঁচ লাখ ৩৮ হাজার টন ফল আমদানি করা হয়েছিল। চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে দেশে প্রায় চার লাখ ১২ হাজার টন ফল আমদানি হয়েছে, যা এই সময়ের স্বাভাবিক চাহিদার তুলনায় কিছুটা বেশি। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রধানত রেফার কনটেইনারে করে এসব ফল দেশে প্রবেশ করে। কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাজার হাজার টন আপেল, কমলা ও আঙুর আমদানি হয়েছে, যার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে ফলের দাম কেজিতে অন্তত ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেশি রাখা হচ্ছে। ফল বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি বাজারেই অতিরিক্ত দামে ফল কিনতে হওয়ায় তাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে, যার ফলে অনেক ক্রেতা দাম শুনে ফল না কিনে ফিরে যাচ্ছেন। অন্যদিকে, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বা ক্যাবের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সরকারের বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণেই আমদানির পর ফলের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

ব্যবসায়ীরা ফলের উচ্চমূল্যের পেছনে প্রধানত আকাশচুম্বী শুল্কহার এবং পরিবহন খরচ বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন। কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত প্রতি কেজি ফলের ওপর ভিত্তি মূল্যের পাশাপাশি কাস্টম ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি ও ভ্যাটসহ প্রায় ১২২ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক পরিশোধ করতে হয়। অর্থাৎ ১০০ টাকার ফল দেশে আনতে প্রায় ২৪০ টাকার মতো খরচ পড়ে যায়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রুটে জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধি এবং কিছু অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে সাপ্লাই চেইনে বিঘ্ন ঘটার ফলে ফলের বাজারে এই দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা বিরাজ করছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।


দৈনিক প্রভাতী

Editor : M S N Masook
Mobile: 01994422789

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
চাহিদার চেয়ে বেশি ফল আমদানি, তবু দাম নাগালের বাইরে
0:00 / 0:00
1x