মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
আজ, লোড হচ্ছে...
 
Loading stocks...

ব্রিটিশ-পাকিস্তান ও ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী আব্বাস, ১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই পড়েন কোরআন


দৈনিক প্রভাতী
ডেস্ক রিপোর্ট, ১০ ফলোয়ার
প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৬ পিএম

ব্রিটিশ-পাকিস্তান ও ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী আব্বাস, ১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই পড়েন কোরআন
ব্রিটিশ-পাকিস্তান ও ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী আব্বাস, ১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই পড়েন কোরআন

দেশের প্রবীণ ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার যোগেন্দ্রনগর গ্রামের বাসিন্দা আব্বাস প্রামাণিক দীর্ঘ জীবনের পরিক্রমায় ইতিহাসের নানা অধ্যায়ের প্রত্যক্ষ সাক্ষী হয়ে আছেন। ভোটার পরিচয়পত্র অনুযায়ী ১৯০৩ সালে জন্ম নেওয়া এই প্রবীণ ব্যক্তি ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান আমল এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো নিজের চোখে দেখেছেন। কর্মজীবনে তিনি খুবজীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সে সময় তার মাসিক বেতন ছিল মাত্র ৬০ টাকা। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি এলাকার কোমলমতি শিশুদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পবিত্র কোরআন শিক্ষাও দিয়ে গেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি মৃত সদর উদ্দিনের সন্তান এবং তার সংসারে দুই মেয়ে ও ছয় ছেলে রয়েছে। দীর্ঘ এই জীবনে তার স্ত্রী অনেক আগেই মারা গেছেন এবং তার সমসাময়িক কোনো মানুষই আজ আর বেঁচে নেই।

বয়সের ভারে প্রবীণ এই মানুষটির শরীর এখন অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং চলাচলের সময় তাকে সবসময় লাঠির ওপর ভরসা করতে হয়। এছাড়া বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি কানেও কিছুটা কম শোনেন এবং শত বছরের অনেক পুরনো স্মৃতি এখন তার আর ঠিকমতো মনেও থাকে না। তবে এসবের মাঝেও সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, ১২৩ বছর বয়সেও তিনি কোনো ধরনের চশমা ব্যবহার না করেই নিয়মিত নামাজ আদায় করেন এবং পবিত্র কোরআন শরিফ পড়েন। তার দৃষ্টিশক্তি এখনো এতটাই স্বাভাবিক যে, তার চেয়ে বয়সে ৩০ থেকে ৪০ বছরের ছোট ব্যক্তিরাও যেখানে খালি চোখে পড়তে সমস্যায় পড়েন, সেখানে তিনি দিব্যি সবকিছু পরিষ্কার দেখতে পান। সবসময় হাতে একটি ক্যাসিও ঘড়ি পরিধান করা এই মানুষটি এখনো ধর্মীয় অনুশাসন কঠোরভাবে মেনে চলেন এবং সাধ্যমতো নিজের কাজ নিজে করার চেষ্টা করেন।

খাবারের ক্ষেত্রে তার পছন্দের তালিকায় রয়েছে সাধারণ ও পুষ্টিকর কিছু উপাদান যেমন বাতাসা, খাঁটি গরুর দুধ ও মসুর ডাল। একসময়ের বিত্তশালী এই মানুষটি বর্তমানে একটি ভাঙাচোরা ঘরে দিন কাটাচ্ছেন এবং তার সন্তানরা সবাই নিজ নিজ সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকায় নাতি-নাতনিরাই মূলত নিজেদের সাধ্যমতো তার দেখাশোনা করেন। তার নাতি শফিকুল ইসলাম জানান, তার দাদা সবসময় খুব ধার্মিক ও সৎ জীবনযাপন করেছেন এবং গাড়িতে চড়াকে বিলাসিতা ভেবে বেশিরভাগ সময় হেঁটেই যাতায়াত করতেন। আরেক নাতি বেলাল হোসেন উল্লেখ করেন যে, বয়সের এই পর্যায়ে দাদার পুষ্টিকর খাবারের প্রয়োজন হলেও সবসময় তা সবসময় জোগাড় করা সম্ভব হয় না। তার মেয়ে আলিমা বেগম জানান, শৈশবেই মাকে হারানোর পর তিনি বাবার স্নেহে বড় হয়েছেন এবং সহজ-সরল এই মানুষটিকে সবসময় সততার পথেই চলতে দেখেছেন।

পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সেবা সংগঠনও এই প্রবীণ নাগরিকের পাশে দাঁড়িয়েছে। তার চলাফেরা সহজ করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাড়ির সামনে একটি সিঁড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। গুরুদাসপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ জানান, আব্বাস প্রামাণিক এলাকার অন্যতম প্রবীণ ব্যক্তি এবং তার সুচিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছে খুবজীপুর প্রবীণ সেবা কেন্দ্র। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাকে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও এই প্রবীণ শিক্ষকের সুস্থতা এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও শ্রদ্ধার জন্ম দিয়েছে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান

বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান

আত্মপ্রকাশ করল এনসিপির নতুন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন

আত্মপ্রকাশ করল এনসিপির নতুন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন

শত্রুর সাথেও আমাদের ইনসাফ করা শিখতে হবে: নাহিদ ইসলাম

শত্রুর সাথেও আমাদের ইনসাফ করা শিখতে হবে: নাহিদ ইসলাম

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামোতে অংশীদারিত্ব জোরদারে একমত বাংলাদেশ-জাপান

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামোতে অংশীদারিত্ব জোরদারে একমত বাংলাদেশ-জাপান

অবকাঠামোয় অর্থায়নে বিকল্প উৎস যমুনা সেতু

অবকাঠামোয় অর্থায়নে বিকল্প উৎস যমুনা সেতু

টোকিওতে তারেক রহমানকে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

টোকিওতে তারেক রহমানকে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

সংখ্যালঘু ভোটে চোখ বিএনপি-জামায়াতের, কঠোর নিরাপত্তায় উপনির্বাচন

সংখ্যালঘু ভোটে চোখ বিএনপি-জামায়াতের, কঠোর নিরাপত্তায় উপনির্বাচন

দুই ব্রিটিশ এমপিকে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, পশ্চিম তীরে প্রবেশে বাধা

দুই ব্রিটিশ এমপিকে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, পশ্চিম তীরে প্রবেশে বাধা

উষ্ণ অভ্যর্থনা, গার্ড অব অনারের পর তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সানায়ে তাকাইচি

উষ্ণ অভ্যর্থনা, গার্ড অব অনারের পর তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সানায়ে তাকাইচি

জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

দৈনিক প্রভাতী

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


ব্রিটিশ-পাকিস্তান ও ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী আব্বাস, ১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই পড়েন কোরআন

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দেশের প্রবীণ ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার যোগেন্দ্রনগর গ্রামের বাসিন্দা আব্বাস প্রামাণিক দীর্ঘ জীবনের পরিক্রমায় ইতিহাসের নানা অধ্যায়ের প্রত্যক্ষ সাক্ষী হয়ে আছেন। ভোটার পরিচয়পত্র অনুযায়ী ১৯০৩ সালে জন্ম নেওয়া এই প্রবীণ ব্যক্তি ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান আমল এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো নিজের চোখে দেখেছেন। কর্মজীবনে তিনি খুবজীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সে সময় তার মাসিক বেতন ছিল মাত্র ৬০ টাকা। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি এলাকার কোমলমতি শিশুদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পবিত্র কোরআন শিক্ষাও দিয়ে গেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি মৃত সদর উদ্দিনের সন্তান এবং তার সংসারে দুই মেয়ে ও ছয় ছেলে রয়েছে। দীর্ঘ এই জীবনে তার স্ত্রী অনেক আগেই মারা গেছেন এবং তার সমসাময়িক কোনো মানুষই আজ আর বেঁচে নেই।

বয়সের ভারে প্রবীণ এই মানুষটির শরীর এখন অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং চলাচলের সময় তাকে সবসময় লাঠির ওপর ভরসা করতে হয়। এছাড়া বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি কানেও কিছুটা কম শোনেন এবং শত বছরের অনেক পুরনো স্মৃতি এখন তার আর ঠিকমতো মনেও থাকে না। তবে এসবের মাঝেও সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, ১২৩ বছর বয়সেও তিনি কোনো ধরনের চশমা ব্যবহার না করেই নিয়মিত নামাজ আদায় করেন এবং পবিত্র কোরআন শরিফ পড়েন। তার দৃষ্টিশক্তি এখনো এতটাই স্বাভাবিক যে, তার চেয়ে বয়সে ৩০ থেকে ৪০ বছরের ছোট ব্যক্তিরাও যেখানে খালি চোখে পড়তে সমস্যায় পড়েন, সেখানে তিনি দিব্যি সবকিছু পরিষ্কার দেখতে পান। সবসময় হাতে একটি ক্যাসিও ঘড়ি পরিধান করা এই মানুষটি এখনো ধর্মীয় অনুশাসন কঠোরভাবে মেনে চলেন এবং সাধ্যমতো নিজের কাজ নিজে করার চেষ্টা করেন।

খাবারের ক্ষেত্রে তার পছন্দের তালিকায় রয়েছে সাধারণ ও পুষ্টিকর কিছু উপাদান যেমন বাতাসা, খাঁটি গরুর দুধ ও মসুর ডাল। একসময়ের বিত্তশালী এই মানুষটি বর্তমানে একটি ভাঙাচোরা ঘরে দিন কাটাচ্ছেন এবং তার সন্তানরা সবাই নিজ নিজ সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকায় নাতি-নাতনিরাই মূলত নিজেদের সাধ্যমতো তার দেখাশোনা করেন। তার নাতি শফিকুল ইসলাম জানান, তার দাদা সবসময় খুব ধার্মিক ও সৎ জীবনযাপন করেছেন এবং গাড়িতে চড়াকে বিলাসিতা ভেবে বেশিরভাগ সময় হেঁটেই যাতায়াত করতেন। আরেক নাতি বেলাল হোসেন উল্লেখ করেন যে, বয়সের এই পর্যায়ে দাদার পুষ্টিকর খাবারের প্রয়োজন হলেও সবসময় তা সবসময় জোগাড় করা সম্ভব হয় না। তার মেয়ে আলিমা বেগম জানান, শৈশবেই মাকে হারানোর পর তিনি বাবার স্নেহে বড় হয়েছেন এবং সহজ-সরল এই মানুষটিকে সবসময় সততার পথেই চলতে দেখেছেন।

পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সেবা সংগঠনও এই প্রবীণ নাগরিকের পাশে দাঁড়িয়েছে। তার চলাফেরা সহজ করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাড়ির সামনে একটি সিঁড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। গুরুদাসপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ জানান, আব্বাস প্রামাণিক এলাকার অন্যতম প্রবীণ ব্যক্তি এবং তার সুচিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছে খুবজীপুর প্রবীণ সেবা কেন্দ্র। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাকে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও এই প্রবীণ শিক্ষকের সুস্থতা এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও শ্রদ্ধার জন্ম দিয়েছে।


দৈনিক প্রভাতী

Editor : M S N Masook
Mobile: 01994422789

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ব্রিটিশ-পাকিস্তান ও ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী আব্বাস, ১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই পড়েন কোরআন
0:00 / 0:00
1x