মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
আজ, লোড হচ্ছে...
 
Loading stocks...

সওজ বলছে অনুমোদন নেই, বন বিভাগ কাটছে তবু সিলেট-তামাবিল সড়কের গাছ


দৈনিক প্রভাতী
ডেস্ক রিপোর্ট, ১০ ফলোয়ার
প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৭ এএম

সওজ বলছে অনুমোদন নেই, বন বিভাগ কাটছে তবু সিলেট-তামাবিল সড়কের গাছ
সওজ বলছে অনুমোদন নেই, বন বিভাগ কাটছে তবু সিলেট-তামাবিল সড়কের গাছ

সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার একটি বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যার কাজ সুরমা গেট এলাকা থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী টিলাগড় থেকে সুরমা গেট পর্যন্ত অংশটি মূল প্রকল্পের বাইরে থাকার কথা থাকলেও, সম্প্রতি ওই নির্দিষ্ট এলাকার গাছপালা কেটে ফেলা হচ্ছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে এই অংশের গাছ কাটার কোনো ধরনের অনুমোদন বা নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। ফলে উন্নয়ন কাজের আওতা বহির্ভূত এই এলাকায় কেন নির্বিচারে গাছ কাটা হচ্ছে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের নির্ধারিত নকশা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, টিলাগড় থেকে সুরমা গেট এলাকাটি সরাসরি মূল উন্নয়ন কাজের সঙ্গে যুক্ত নয়। তা সত্ত্বেও বন বিভাগের পক্ষ থেকে এই অঞ্চলের গাছগুলো কেটে ফেলার উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয় পরিবেশপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। যেখানে কোনো ধরনের সড়ক উন্নয়নের কাজ পরিচালিত হওয়ার কথা নয়, সেখানে কেন প্রকৃতির এমন ক্ষতিসাধন করা হচ্ছে—তার কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা সাধারণ মানুষ বা সংশ্লিষ্টরা পাচ্ছে না।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, তাদের পক্ষ থেকে টিলাগড় থেকে সুরমা গেট পর্যন্ত অংশে গাছ কাটার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। অথচ বন বিভাগের তরফ থেকে এই গাছগুলো অপসারণের কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি দুই সরকারি সংস্থার মধ্যকার সমন্বয়হীনতার চিত্রকেই ফুটিয়ে তুলছে। অনুমোদনের বিষয়টি স্পষ্ট না করেই এভাবে গাছ কেটে ফেলা সরকারি নিয়মবহির্ভূত কি না, তা নিয়ে এখন বড় ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে।

পরিবেশবিদ ও স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, অপরিকল্পিতভাবে এবং যথাযথ নিয়ম না মেনে এ ধরনের গাছ কর্তন দেশের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। উন্নয়নের অজুহাতে প্রকল্পের বাইরে থাকা এলাকার গাছ ধ্বংস করার এই প্রবণতা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে তারা মত প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং বন ও সড়কের ভারসাম্য রক্ষায় জোরালো ভূমিকা রাখবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান

বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান

আত্মপ্রকাশ করল এনসিপির নতুন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন

আত্মপ্রকাশ করল এনসিপির নতুন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন

শত্রুর সাথেও আমাদের ইনসাফ করা শিখতে হবে: নাহিদ ইসলাম

শত্রুর সাথেও আমাদের ইনসাফ করা শিখতে হবে: নাহিদ ইসলাম

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামোতে অংশীদারিত্ব জোরদারে একমত বাংলাদেশ-জাপান

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামোতে অংশীদারিত্ব জোরদারে একমত বাংলাদেশ-জাপান

অবকাঠামোয় অর্থায়নে বিকল্প উৎস যমুনা সেতু

অবকাঠামোয় অর্থায়নে বিকল্প উৎস যমুনা সেতু

টোকিওতে তারেক রহমানকে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

টোকিওতে তারেক রহমানকে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

সংখ্যালঘু ভোটে চোখ বিএনপি-জামায়াতের, কঠোর নিরাপত্তায় উপনির্বাচন

সংখ্যালঘু ভোটে চোখ বিএনপি-জামায়াতের, কঠোর নিরাপত্তায় উপনির্বাচন

দুই ব্রিটিশ এমপিকে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, পশ্চিম তীরে প্রবেশে বাধা

দুই ব্রিটিশ এমপিকে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, পশ্চিম তীরে প্রবেশে বাধা

উষ্ণ অভ্যর্থনা, গার্ড অব অনারের পর তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সানায়ে তাকাইচি

উষ্ণ অভ্যর্থনা, গার্ড অব অনারের পর তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সানায়ে তাকাইচি

জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

দৈনিক প্রভাতী

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


সওজ বলছে অনুমোদন নেই, বন বিভাগ কাটছে তবু সিলেট-তামাবিল সড়কের গাছ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার একটি বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যার কাজ সুরমা গেট এলাকা থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী টিলাগড় থেকে সুরমা গেট পর্যন্ত অংশটি মূল প্রকল্পের বাইরে থাকার কথা থাকলেও, সম্প্রতি ওই নির্দিষ্ট এলাকার গাছপালা কেটে ফেলা হচ্ছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে এই অংশের গাছ কাটার কোনো ধরনের অনুমোদন বা নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। ফলে উন্নয়ন কাজের আওতা বহির্ভূত এই এলাকায় কেন নির্বিচারে গাছ কাটা হচ্ছে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের নির্ধারিত নকশা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, টিলাগড় থেকে সুরমা গেট এলাকাটি সরাসরি মূল উন্নয়ন কাজের সঙ্গে যুক্ত নয়। তা সত্ত্বেও বন বিভাগের পক্ষ থেকে এই অঞ্চলের গাছগুলো কেটে ফেলার উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয় পরিবেশপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। যেখানে কোনো ধরনের সড়ক উন্নয়নের কাজ পরিচালিত হওয়ার কথা নয়, সেখানে কেন প্রকৃতির এমন ক্ষতিসাধন করা হচ্ছে—তার কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা সাধারণ মানুষ বা সংশ্লিষ্টরা পাচ্ছে না।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, তাদের পক্ষ থেকে টিলাগড় থেকে সুরমা গেট পর্যন্ত অংশে গাছ কাটার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। অথচ বন বিভাগের তরফ থেকে এই গাছগুলো অপসারণের কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি দুই সরকারি সংস্থার মধ্যকার সমন্বয়হীনতার চিত্রকেই ফুটিয়ে তুলছে। অনুমোদনের বিষয়টি স্পষ্ট না করেই এভাবে গাছ কেটে ফেলা সরকারি নিয়মবহির্ভূত কি না, তা নিয়ে এখন বড় ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে।

পরিবেশবিদ ও স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, অপরিকল্পিতভাবে এবং যথাযথ নিয়ম না মেনে এ ধরনের গাছ কর্তন দেশের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। উন্নয়নের অজুহাতে প্রকল্পের বাইরে থাকা এলাকার গাছ ধ্বংস করার এই প্রবণতা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে তারা মত প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং বন ও সড়কের ভারসাম্য রক্ষায় জোরালো ভূমিকা রাখবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।


দৈনিক প্রভাতী

Editor : M S N Masook
Mobile: 01994422789

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
সওজ বলছে অনুমোদন নেই, বন বিভাগ কাটছে তবু সিলেট-তামাবিল সড়কের গাছ
0:00 / 0:00
1x