মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
আজ, লোড হচ্ছে...
 
Loading stocks...

মহানবীর কূটনৈতিক সাফল্য


দৈনিক প্রভাতী
ডেস্ক রিপোর্ট, ১০ ফলোয়ার
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৬ এএম

মহানবীর কূটনৈতিক সাফল্য
মহানবীর কূটনৈতিক সাফল্য

ডেস্ক রিপোর্ট: ইসলামের ইতিহাসের সূচনালগ্নে এবং মক্কা বিজয়ের পূর্ববর্তী সময়ে আরব উপদ্বীপের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল ছিল। সেই সময়ে আরবের বিভিন্ন গোত্র ও সম্প্রদায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিষয়ে বেশ সতর্ক ও রক্ষণশীল অবস্থান বজায় রেখেছিল। বিশেষ করে তৎকালীন কুরাইশদের প্রভাব এবং সামগ্রিক শক্তির ভারসাম্যের কারণে অনেক গোত্রই সরাসরি কোনো পক্ষ নিতে দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল।

তবে ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ সা.-এর অসামান্য রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কূটনৈতিক দূরদর্শিতা এই কঠিন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলে দিতে শুরু করে। তিনি বিভিন্ন গোত্রের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং বিরোধ মীমাংসায় বিচক্ষণতার পরিচয় দেন। তাঁর এই নমনীয় অথচ দৃঢ় নীতি আরবের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন হাওয়া বইয়ে দেয় এবং বিরোধীদের মনেও আস্থার বীজ বপন করে।

ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় অষ্টম হিজরির গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ আরব অঞ্চলের সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামোতে এক সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন নিয়ে আসে। এই সময়ের সামরিক ও কূটনৈতিক অর্জনগুলো মক্কা বিজয়ের পথকে অত্যন্ত সুগম করেছিল। পাশাপাশি, এর মাধ্যমে আরবের বৃহৎ অংশ ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আসার অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।

মূলত মহানবীর এই যুগান্তকারী কূটনৈতিক সাফল্য কেবল ইসলামের প্রচারকেই ত্বরান্বিত করেনি, বরং সমগ্র আরব উপদ্বীপে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায়ও প্রধান ভূমিকা রেখেছিল। পারস্পরিক হানাহানি ভুলে বিভিন্ন গোত্র যখন ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করে, তখন মক্কা বিজয়ের পথ উন্মুক্ত হয় এবং ইসলামের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

ঢাকায় পর্যটন মেলা শুরু বৃহস্পতিবার, অংশগ্রহণে ২০টিরও বেশি দেশ

ঢাকায় পর্যটন মেলা শুরু বৃহস্পতিবার, অংশগ্রহণে ২০টিরও বেশি দেশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন চার ধাপে, ১ নভেম্বর শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন চার ধাপে, ১ নভেম্বর শুরু

এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

গ্রিড বিপর্যয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সচিবালয়সহ ঢাকা ও চট্টগ্রামের অনেক এলাকা

গ্রিড বিপর্যয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সচিবালয়সহ ঢাকা ও চট্টগ্রামের অনেক এলাকা

ডিএসইতে সূচকের পতন ও কমল লেনদেন

ডিএসইতে সূচকের পতন ও কমল লেনদেন

জাল সনদে চাকরি: প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারের দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

জাল সনদে চাকরি: প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারের দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন, মব নয়: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন, মব নয়: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ইসলামী ব্যাংকের এক শাখা থেকেই ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৫ জনের নামে মামলা

ইসলামী ব্যাংকের এক শাখা থেকেই ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৫ জনের নামে মামলা

মাও সে–তুংকে নিয়ে ‘রসিকতা’, চীনে বিপাকে এমবাপ্পে

মাও সে–তুংকে নিয়ে ‘রসিকতা’, চীনে বিপাকে এমবাপ্পে

টেসলার রোডস্টারের আন্ডারবডি প্রকল্পে কাজ করেছেন বুয়েটের তারেক

টেসলার রোডস্টারের আন্ডারবডি প্রকল্পে কাজ করেছেন বুয়েটের তারেক

দৈনিক প্রভাতী

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


মহানবীর কূটনৈতিক সাফল্য

প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ডেস্ক রিপোর্ট: ইসলামের ইতিহাসের সূচনালগ্নে এবং মক্কা বিজয়ের পূর্ববর্তী সময়ে আরব উপদ্বীপের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল ছিল। সেই সময়ে আরবের বিভিন্ন গোত্র ও সম্প্রদায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিষয়ে বেশ সতর্ক ও রক্ষণশীল অবস্থান বজায় রেখেছিল। বিশেষ করে তৎকালীন কুরাইশদের প্রভাব এবং সামগ্রিক শক্তির ভারসাম্যের কারণে অনেক গোত্রই সরাসরি কোনো পক্ষ নিতে দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল।

তবে ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ সা.-এর অসামান্য রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কূটনৈতিক দূরদর্শিতা এই কঠিন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলে দিতে শুরু করে। তিনি বিভিন্ন গোত্রের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং বিরোধ মীমাংসায় বিচক্ষণতার পরিচয় দেন। তাঁর এই নমনীয় অথচ দৃঢ় নীতি আরবের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন হাওয়া বইয়ে দেয় এবং বিরোধীদের মনেও আস্থার বীজ বপন করে।

ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় অষ্টম হিজরির গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ আরব অঞ্চলের সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামোতে এক সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন নিয়ে আসে। এই সময়ের সামরিক ও কূটনৈতিক অর্জনগুলো মক্কা বিজয়ের পথকে অত্যন্ত সুগম করেছিল। পাশাপাশি, এর মাধ্যমে আরবের বৃহৎ অংশ ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আসার অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।

মূলত মহানবীর এই যুগান্তকারী কূটনৈতিক সাফল্য কেবল ইসলামের প্রচারকেই ত্বরান্বিত করেনি, বরং সমগ্র আরব উপদ্বীপে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায়ও প্রধান ভূমিকা রেখেছিল। পারস্পরিক হানাহানি ভুলে বিভিন্ন গোত্র যখন ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করে, তখন মক্কা বিজয়ের পথ উন্মুক্ত হয় এবং ইসলামের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটে।


দৈনিক প্রভাতী

Editor : M S N Masook
Mobile: 01994422789

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
মহানবীর কূটনৈতিক সাফল্য
0:00 / 0:00
1x