মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
আজ, লোড হচ্ছে...
 
Loading stocks...

গৃহযুদ্ধের মধ্যেই মিয়ানমারের জান্তা নেতাকে কাছে টানছে প্রতিবেশীরা


দৈনিক প্রভাতী
ডেস্ক রিপোর্ট, ১০ ফলোয়ার
প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩১ এএম

গৃহযুদ্ধের মধ্যেই মিয়ানমারের জান্তা নেতাকে কাছে টানছে প্রতিবেশীরা
গৃহযুদ্ধের মধ্যেই মিয়ানমারের জান্তা নেতাকে কাছে টানছে প্রতিবেশীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর দীর্ঘ ৫ বছর ধরে চলা রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের মধ্যেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান পুনরুদ্ধারে সক্রিয় হয়েছেন দেশটির সামরিক শাসক মিন অং হ্লাইং। একসময় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আসিয়ানের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নিষিদ্ধ থাকলেও, বর্তমান সময়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পাচ্ছেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের ন্যায়পরায়ণ নীতি বাদ দিয়ে আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলো এখন নিজেদের বাস্তব রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এর ফলে মিয়ানমারের বর্তমান সামরিক সরকারের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও দেশটির দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক সংকট সমাধানের কোনো সুনির্দিষ্ট পথ উন্মুক্ত হচ্ছে না।

কয়েকদিন আগে কুয়ালালামপুর সফরে গেলে মিয়ানমারের এই শীর্ষ নেতাকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেয় মালয়েশিয়া। ফলপ্রসূ বৈঠকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানান যে মিয়ানমার তাদের নিজ খরচে দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত রয়েছে এবং তাদেরকে আসিয়ানের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করবে কুয়ালালামপুর। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেওয়া প্রায় এক লাখ ৯৩ হাজার মিয়ানমার নাগরিকের বড় অংশই নিপীড়িত রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। মিন অং হ্লাইং দাবি করেছেন যে অনুকূল আবহাওয়া সাপেক্ষে এই নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার জন্য খুব শীঘ্রই নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠানো হবে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো মনে করছে, রোহিঙ্গা নির্যাতনের মূল হোতার সঙ্গে এমন আপস দেশের ভেতরে সংকট আরও ঘনীভূত করতে পারে।

শুধু মালয়েশিয়া নয়, ইতিমধ্যে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসসহ বিভিন্ন আসিয়ান ভুক্ত দেশের শীর্ষ নেতাদের আতিথিয়তা গ্রহণ করেছেন মিন অং হ্লাইং। এছাড়া চীন, ভারত, রাশিয়া এবং বেলারুশের মতো প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোও তার সরকারের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও অবকাঠামোগত চুক্তি বজায় রেখে চলেছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও সাইবার প্রতারণাকেন্দ্র বন্ধের মতো নির্দিষ্ট কিছু কৌশলগত বিষয়ে জান্তা সরকারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়িয়েছে। ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত সুরক্ষা, অভ্যন্তরীণ সংঘাতের প্রভাব এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থেই প্রতিবেশী প্রভাবশালী দেশগুলো সামরিক নিয়ন্ত্রিত এই সরকারকে বৈধতা দেওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

এদিকে কূটনৈতিক তৎপরতা ও বন্ধু রাষ্ট্রের সমর্থন বাড়লেও মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাত ও সহিংসতা বিন্দুমাত্র কমেনি। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলজুড়ে জান্তা বাহিনী বিমান হামলা জোরদার করার পাশাপাশি নতুন সেনা নিয়োগের মাধ্যমে হারানো এলাকাগুলো পুনর্দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, শুধু সীমিত কিছু কৌশলগত এলাকায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি দিয়ে কিংবা বিদেশি বৈধতা অর্জন করে পুরো দেশের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা জান্তা বাহিনীর পক্ষে অসম্ভব। ফলস্বরূপ, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ, লাখ লাখ নাগরিকের বাস্তুচ্যুতি এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা অব্যাহত থাকায় মিয়ানমারের ভবিষ্যৎ সংকট আরও দীর্ঘস্থায়ী রূপ ধারণ করছে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান

বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান

আত্মপ্রকাশ করল এনসিপির নতুন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন

আত্মপ্রকাশ করল এনসিপির নতুন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন

শত্রুর সাথেও আমাদের ইনসাফ করা শিখতে হবে: নাহিদ ইসলাম

শত্রুর সাথেও আমাদের ইনসাফ করা শিখতে হবে: নাহিদ ইসলাম

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামোতে অংশীদারিত্ব জোরদারে একমত বাংলাদেশ-জাপান

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামোতে অংশীদারিত্ব জোরদারে একমত বাংলাদেশ-জাপান

অবকাঠামোয় অর্থায়নে বিকল্প উৎস যমুনা সেতু

অবকাঠামোয় অর্থায়নে বিকল্প উৎস যমুনা সেতু

টোকিওতে তারেক রহমানকে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

টোকিওতে তারেক রহমানকে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

সংখ্যালঘু ভোটে চোখ বিএনপি-জামায়াতের, কঠোর নিরাপত্তায় উপনির্বাচন

সংখ্যালঘু ভোটে চোখ বিএনপি-জামায়াতের, কঠোর নিরাপত্তায় উপনির্বাচন

দুই ব্রিটিশ এমপিকে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, পশ্চিম তীরে প্রবেশে বাধা

দুই ব্রিটিশ এমপিকে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, পশ্চিম তীরে প্রবেশে বাধা

উষ্ণ অভ্যর্থনা, গার্ড অব অনারের পর তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সানায়ে তাকাইচি

উষ্ণ অভ্যর্থনা, গার্ড অব অনারের পর তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সানায়ে তাকাইচি

জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

দৈনিক প্রভাতী

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


গৃহযুদ্ধের মধ্যেই মিয়ানমারের জান্তা নেতাকে কাছে টানছে প্রতিবেশীরা

প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর দীর্ঘ ৫ বছর ধরে চলা রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের মধ্যেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান পুনরুদ্ধারে সক্রিয় হয়েছেন দেশটির সামরিক শাসক মিন অং হ্লাইং। একসময় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আসিয়ানের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নিষিদ্ধ থাকলেও, বর্তমান সময়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পাচ্ছেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের ন্যায়পরায়ণ নীতি বাদ দিয়ে আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলো এখন নিজেদের বাস্তব রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এর ফলে মিয়ানমারের বর্তমান সামরিক সরকারের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও দেশটির দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক সংকট সমাধানের কোনো সুনির্দিষ্ট পথ উন্মুক্ত হচ্ছে না।

কয়েকদিন আগে কুয়ালালামপুর সফরে গেলে মিয়ানমারের এই শীর্ষ নেতাকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেয় মালয়েশিয়া। ফলপ্রসূ বৈঠকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানান যে মিয়ানমার তাদের নিজ খরচে দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত রয়েছে এবং তাদেরকে আসিয়ানের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করবে কুয়ালালামপুর। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেওয়া প্রায় এক লাখ ৯৩ হাজার মিয়ানমার নাগরিকের বড় অংশই নিপীড়িত রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। মিন অং হ্লাইং দাবি করেছেন যে অনুকূল আবহাওয়া সাপেক্ষে এই নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার জন্য খুব শীঘ্রই নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠানো হবে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো মনে করছে, রোহিঙ্গা নির্যাতনের মূল হোতার সঙ্গে এমন আপস দেশের ভেতরে সংকট আরও ঘনীভূত করতে পারে।

শুধু মালয়েশিয়া নয়, ইতিমধ্যে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসসহ বিভিন্ন আসিয়ান ভুক্ত দেশের শীর্ষ নেতাদের আতিথিয়তা গ্রহণ করেছেন মিন অং হ্লাইং। এছাড়া চীন, ভারত, রাশিয়া এবং বেলারুশের মতো প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোও তার সরকারের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও অবকাঠামোগত চুক্তি বজায় রেখে চলেছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও সাইবার প্রতারণাকেন্দ্র বন্ধের মতো নির্দিষ্ট কিছু কৌশলগত বিষয়ে জান্তা সরকারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়িয়েছে। ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত সুরক্ষা, অভ্যন্তরীণ সংঘাতের প্রভাব এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থেই প্রতিবেশী প্রভাবশালী দেশগুলো সামরিক নিয়ন্ত্রিত এই সরকারকে বৈধতা দেওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

এদিকে কূটনৈতিক তৎপরতা ও বন্ধু রাষ্ট্রের সমর্থন বাড়লেও মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাত ও সহিংসতা বিন্দুমাত্র কমেনি। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলজুড়ে জান্তা বাহিনী বিমান হামলা জোরদার করার পাশাপাশি নতুন সেনা নিয়োগের মাধ্যমে হারানো এলাকাগুলো পুনর্দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, শুধু সীমিত কিছু কৌশলগত এলাকায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি দিয়ে কিংবা বিদেশি বৈধতা অর্জন করে পুরো দেশের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা জান্তা বাহিনীর পক্ষে অসম্ভব। ফলস্বরূপ, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ, লাখ লাখ নাগরিকের বাস্তুচ্যুতি এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা অব্যাহত থাকায় মিয়ানমারের ভবিষ্যৎ সংকট আরও দীর্ঘস্থায়ী রূপ ধারণ করছে।


দৈনিক প্রভাতী

Editor : M S N Masook
Mobile: 01994422789

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
গৃহযুদ্ধের মধ্যেই মিয়ানমারের জান্তা নেতাকে কাছে টানছে প্রতিবেশীরা
0:00 / 0:00
1x