মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
আজ, লোড হচ্ছে...
 
Loading stocks...

চীনের ক্ষমতাবান নেতা হওয়ার আগে সবকিছু হারিয়েছিলেন শি জিনপিং


দৈনিক প্রভাতী
ডেস্ক রিপোর্ট, ১০ ফলোয়ার
প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৬ এএম

চীনের ক্ষমতাবান নেতা হওয়ার আগে সবকিছু হারিয়েছিলেন শি জিনপিং
চীনের ক্ষমতাবান নেতা হওয়ার আগে সবকিছু হারিয়েছিলেন শি জিনপিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বর্তমান বিশ্বে চীনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর নেতা হিসেবে পরিচিত শি জিনপিংয়ের রাজনৈতিক জীবনের পথপরিক্রমা মোটেও সহজ ছিল না। দীর্ঘ জীবন ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারজুড়ে তাকে নানা ধরনের চড়াই-উতরাই এবং বৈরী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। আধুনিক চীনের শীর্ষ এই নেতার অতীত জীবনের গল্প বহু নাটকীয়তায় ভরপুর, যা অনেকের কাছেই অজানা।

বিশ্লেষকদের মতে, শি জিনপিং ছিলেন মূলত এমন এক পরিবারের সন্তান যাঁদেরকে একসময় ক্ষমতার বৃত্তে বেশ প্রভাবশালী মনে করা হতো। কিন্তু রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে সেই সুবিধাজনক অবস্থান পুরোপুরি হারিয়ে ফেলতে হয় তাঁকে। তাঁর বাবা তৎকালীন সময়ে ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ বা 'প্রতিবিপ্লবী' হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার খেসারত দিতে হয়েছিল পুরো পরিবারকে।

এই রাজনৈতিক হানাহানির চরম মূল্য চুকাতে হয় খোদ শি জিনপিংকে, যখন তিনি কিশোর বয়সের গণ্ডি পার হচ্ছিলেন। তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির শিকার হয়ে তাঁকে জোরপূর্বক এক দুর্গম পুনঃশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শৈশব ও কৈশোরের সেই কঠিন দিনগুলোতে তাঁকে প্রচণ্ড মানসিক ও শারীরিক কষ্টের মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করতে হয়েছিল।

তবে সমস্ত প্রতিকূলতা ও বঞ্চনাকে পেছনে ফেলে তিনি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হন এবং কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ পর্যায়ে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করেন। অতীতের সেই চরম বিপর্যয় ও সংগ্রামের দিনগুলোই তাঁকে আজকের এই কঠোর এবং দৃঢ়চেতা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে রূপান্তর করতে বড় ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

ইন্টার্নশিপে বেতন নেই, তবু কেন করবেন

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

স্ত্রীর কাছে ব্যবসার জন্য টাকা দাবি করলেই তা যৌতুক হয় না: হাইকোর্ট

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ন্যাশনাল ব্যাংক পাচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত বৃহস্পতিবার থেকে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

দুর্গাপূজায় কী পরবে বাড়ির বাড়ন্ত মেয়েটি

বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান

বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান

আত্মপ্রকাশ করল এনসিপির নতুন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন

আত্মপ্রকাশ করল এনসিপির নতুন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন

শত্রুর সাথেও আমাদের ইনসাফ করা শিখতে হবে: নাহিদ ইসলাম

শত্রুর সাথেও আমাদের ইনসাফ করা শিখতে হবে: নাহিদ ইসলাম

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামোতে অংশীদারিত্ব জোরদারে একমত বাংলাদেশ-জাপান

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামোতে অংশীদারিত্ব জোরদারে একমত বাংলাদেশ-জাপান

অবকাঠামোয় অর্থায়নে বিকল্প উৎস যমুনা সেতু

অবকাঠামোয় অর্থায়নে বিকল্প উৎস যমুনা সেতু

টোকিওতে তারেক রহমানকে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

টোকিওতে তারেক রহমানকে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

সংখ্যালঘু ভোটে চোখ বিএনপি-জামায়াতের, কঠোর নিরাপত্তায় উপনির্বাচন

সংখ্যালঘু ভোটে চোখ বিএনপি-জামায়াতের, কঠোর নিরাপত্তায় উপনির্বাচন

দুই ব্রিটিশ এমপিকে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, পশ্চিম তীরে প্রবেশে বাধা

দুই ব্রিটিশ এমপিকে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, পশ্চিম তীরে প্রবেশে বাধা

উষ্ণ অভ্যর্থনা, গার্ড অব অনারের পর তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সানায়ে তাকাইচি

উষ্ণ অভ্যর্থনা, গার্ড অব অনারের পর তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সানায়ে তাকাইচি

জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

দৈনিক প্রভাতী

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


চীনের ক্ষমতাবান নেতা হওয়ার আগে সবকিছু হারিয়েছিলেন শি জিনপিং

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বর্তমান বিশ্বে চীনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর নেতা হিসেবে পরিচিত শি জিনপিংয়ের রাজনৈতিক জীবনের পথপরিক্রমা মোটেও সহজ ছিল না। দীর্ঘ জীবন ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারজুড়ে তাকে নানা ধরনের চড়াই-উতরাই এবং বৈরী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। আধুনিক চীনের শীর্ষ এই নেতার অতীত জীবনের গল্প বহু নাটকীয়তায় ভরপুর, যা অনেকের কাছেই অজানা।

বিশ্লেষকদের মতে, শি জিনপিং ছিলেন মূলত এমন এক পরিবারের সন্তান যাঁদেরকে একসময় ক্ষমতার বৃত্তে বেশ প্রভাবশালী মনে করা হতো। কিন্তু রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে সেই সুবিধাজনক অবস্থান পুরোপুরি হারিয়ে ফেলতে হয় তাঁকে। তাঁর বাবা তৎকালীন সময়ে ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ বা 'প্রতিবিপ্লবী' হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার খেসারত দিতে হয়েছিল পুরো পরিবারকে।

এই রাজনৈতিক হানাহানির চরম মূল্য চুকাতে হয় খোদ শি জিনপিংকে, যখন তিনি কিশোর বয়সের গণ্ডি পার হচ্ছিলেন। তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির শিকার হয়ে তাঁকে জোরপূর্বক এক দুর্গম পুনঃশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শৈশব ও কৈশোরের সেই কঠিন দিনগুলোতে তাঁকে প্রচণ্ড মানসিক ও শারীরিক কষ্টের মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করতে হয়েছিল।

তবে সমস্ত প্রতিকূলতা ও বঞ্চনাকে পেছনে ফেলে তিনি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হন এবং কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ পর্যায়ে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করেন। অতীতের সেই চরম বিপর্যয় ও সংগ্রামের দিনগুলোই তাঁকে আজকের এই কঠোর এবং দৃঢ়চেতা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে রূপান্তর করতে বড় ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।


দৈনিক প্রভাতী

Editor : M S N Masook
Mobile: 01994422789

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
চীনের ক্ষমতাবান নেতা হওয়ার আগে সবকিছু হারিয়েছিলেন শি জিনপিং
0:00 / 0:00
1x