উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে কমিটি গঠন নিয়ে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনায় দলটির দুই নেতার সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে। অভিযুক্ত দুজন হলেন কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সাবেক আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও সাবেক নায়েবে আমির এ কে এম এমদাদুল হক মামুন। গত ১৪ অক্টোবর কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে জামায়াতের কুমিল্লা মহানগর কার্যালয় চত্বরে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল।
জামায়াত সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ অক্টোবর দলটির আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভায় এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও এমদাদুল হক মামুনের রুকনিয়াত বা সদস্যপদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কুমিল্লা মহানগরীর তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা আবদুল হালিম রোববার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নতুন মহানগর আমির নির্বাচন ও কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় নগরের মোগলটুলী এলাকার ফারুকিয়া হাউজিংয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় কার্যালয় চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে এবং মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মহানগর আমিরের দায়িত্বে থাকা কাজী দ্বীন মোহাম্মদকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন ঘিরেই মূলত এই বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল।
সংঘর্ষের ঘটনার দুই দিনের মাথায় ১৬ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগর শাখার কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে জামায়াত এবং এর কার্যক্রম কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঘটনার তদন্তে জামায়াতের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহানকে নিয়ে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এর আগে একই ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে এবি পার্টির কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সামদানীকেও সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।