উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রাজনীতি ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে সম্প্রতি বিশেষ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিরোধী দলগুলোর জোট ইন্ডিয়া। রাজধানী দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই আন্দোলনকে কেবল কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হিসেবে না দেখে দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের সব ছাত্র সংগঠনকে দলীয় সীমানা পেরিয়ে এই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওবার্তার মাধ্যমে এই আহ্বান জানান প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা। ভিডিওবার্তায় তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, এই কর্মসূচি মূলত দেশের ভোটাধিকার রক্ষা, গণতন্ত্র সুসংহত করা এবং সংবিধান বাঁচানোর একটি ঐতিহাসিক প্রয়াস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কর্মকাণ্ডে যারা ক্ষুব্ধ এবং যারা রাষ্ট্রীয় নীতিতে পরিবর্তন আনতে চান, তাদের সবাইকে এই কর্মসূচিতে সামিল হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
আন্দোলন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্ভাব্য বাধা কিংবা বলপ্রয়োগ নিয়ে যুবসমাজকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তিনি দাবি করেন যে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রশাসনের এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস আর থাকবে না। তাই সব ধরনের ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ছাত্রসমাজকে রাজপথে নেমে আসার তাগিদ দেন তিনি। সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই সংবিধান ও দেশ রক্ষা করা সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই রাজনৈতিক নেতা।
এর আগে এই অভিন্ন দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন পৃথকভাবে আন্দোলন পরিচালনা করে আসছিল। ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে পরিচালিত আগের কিছু কর্মসূচিতে বিরোধী শিবিরের একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা অংশ নিলেও শুরুর দিকে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখেছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি ও দাবির ন্যায্যতা বিবেচনা করে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হয়েছে এবং সব পক্ষ মিলে এখন যৌথভাবে এই আন্দোলনে রূপ দেওয়া হয়েছে।