উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক ও বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে অভূতপূর্ব সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং বিজিএমইএ-র উপদেষ্টা কাজী সারওয়ার হাবিব সম্প্রতি টোকিওর নিউ ওতানি হোটেলে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এই সম্ভাবনার কথা জানান। তিনি জানান, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বর্তমানে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
জাপান বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক আমদানিকারক দেশ হিসেবে প্রতি বছর প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি করে। বাংলাদেশ বিশ্বমানের পোশাক তৈরি করলেও জাপানের বাজারে এখন পর্যন্ত মাত্র ১.৪ বিলিয়ন ডলার রফতানি করতে পেরেছে। তবে বিজিএমইএ-তে ‘জাপান ডেস্ক’ ওপেন হয়েছে এবং তারা আগামীতে ৩ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলারের পোশাক কেনার আশা দিয়েছেন।
অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির (ইপিএ) আওতায় প্রায় ৭,৩৯৮টি পণ্য বা রফতানি পণ্যের ৯৮ শতাংশই ট্যাক্স ফ্রি সুবিধা পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই জাপান সফরকে একটি স্বপ্নের মতো সফর হিসেবে অভিহিত করে প্রায় ৬.৩ বিলিয়ন ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়। জাপানি বিনিয়োগকারী ও বায়ারদের বাংলাদেশে ধরে রাখতে ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করার তাগিদ দিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা।