উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
অর্থনীতি ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং টেকসই পর্যটনের ধারণাকে মূল প্রতিপাদ্য হিসেবে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকায় শুরু হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলাটি ২৯ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত করতে এবং এই খাতের ব্যবসায়িক পরিধি বাড়াতে চতুর্দশবারের মতো এই জমজমাট আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। মেলাটি সফল করতে দেশের অ্যাভিয়েশন ও পর্যটন খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন সংস্থাও সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছে।
সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকদের পক্ষ থেকে মেলার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের আসরে ভারত, নেপাল, চীন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডসহ বিশটিরও বেশি দেশের বিভিন্ন পর্যটন সংস্থা, এয়ারলাইনস এবং হোটেল প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মেলা প্রাঙ্গণে দুই শতাধিক বুথ ও স্টল থাকবে যেখানে দেশি-বিদেশি আড়াই শতাধিক প্রদর্শক তাদের সেবা ও গন্তব্যের পরিচিতি তুলে ধরবেন। তিন দিনের এই আয়োজনে বাণিজ্যভিত্তিক দর্শনার্থীদের পাশাপাশি অর্ধলক্ষাধিক সাধারণ মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
মেলার কার্যপরিধি বাড়াতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দর্শনার্থীরা এই মেলা থেকেই আকর্ষণীয় ছাড়ে বিমান টিকিট, আকর্ষণীয় হোটেল বুকিং এবং নানা ধরনের বিশেষ ট্যুর প্যাকেজ সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়া মেলা চলাকালীন সময়ে পর্যটনের আধুনিক ধারা নিয়ে বিশেষ সেমিনার, বি-টু-বি মিটিং এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রাখা হয়েছে। এই বৃহৎ আয়োজনের টাইটেল স্পনসর হিসেবে যুক্ত রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এবং এটি বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়সহ একাধিক সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সহায়তা করছে।
সংবাদ সম্মেলনে পর্যটন ও অ্যাভিয়েশন খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার দিকগুলোও তুলে ধরেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। দেশের পর্যটন শিল্পের টেকসই বিকাশের জন্য সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ এবং সঠিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সেন্ট মার্টিন ও সুন্দরবনসহ দেশের প্রধান পর্যটন কেন্দ্রগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতাগুলো নিরসনে সরকারের উচ্চ মহলের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানানো হয়। আয়োজকদের বিশ্বাস, এই আন্তর্জাতিক মেলা দেশের পর্যটন শিল্পে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণে এবং বৈদেশিক যোগাযোগের ক্ষেত্র প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।