উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম (ডব্লিউআইএফ) ২০২৬-এর অংশ হিসেবে আয়োজিত ‘গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন কনফারেন্স’-এর এক মন্ত্রীপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটির চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। রোববার অনুষ্ঠিত ‘জলবায়ু অগ্রাধিকার থেকে বিনিয়োগ : জ্বালানি রূপান্তর প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় তিনি দেশের বিনিয়োগ পরিবেশের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও অন্যান্য অগ্রাধিকারমূলক খাতে আন্তর্জাতিক পুঁজি আকর্ষণের লক্ষ্যে বিনিয়োগ প্রচার কার্যক্রমকে সুবিন্যস্ত করার ওপর আলোকপাত করেন।
আশিক চৌধুরী জানান, বাংলাদেশের বিনিয়োগ উন্নয়ন কৌশলে সরকারি সংস্থাগুলোর সাথে বিনিয়োগকারীদের যোগাযোগ সহজ করা এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর লক্ষ্যে একক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি সংস্থাকে একই ছাতার নিচে আনাকে একটি চ্যালেঞ্জিং প্রশাসনিক কাজ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন যে, বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন এবং সামগ্রিক প্রক্রিয়া সহজ করতে সংস্থাসমূহের মধ্যকার বিচ্ছিন্নতা দূর করা অপরিহার্য। এই উদ্যোগের ফলে বিনিয়োগ উন্নয়ন, নীতি গবেষণা, শিল্পভিত্তিক জমির উন্নয়ন এবং লেনদেন কাঠামোর মধ্যে সমন্বয় সুদৃঢ় হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরো যোগ করেন, এসব ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণে অর্থায়নযোগ্য প্রকল্প তৈরি, উপযুক্ত জমির নিশ্চয়তা বিধান এবং সুনির্দিষ্ট নীতি-কাঠামো প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত জরুরি। আশিক চৌধুরী জানান, এই সমন্বিত বিনিয়োগ উন্নয়ন কাঠামো আন্তর্জাতিক তহবিল ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের লাভজনক প্রকল্পগুলোর সাথে সংযুক্ত করবে এবং সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয় উন্নত করবে। আগামী সোমবার আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সামনে দেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা ও সুবিধাগুলো তুলে ধরতে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে।
সূত্র বাসস-এর তথ্য অনুযায়ী, এই ফোরামে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, উন্নত প্রকল্প প্রস্তুতকরণ এবং কাঠামোগত সমন্বয়ের মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে আন্তর্জাতিক মূলধন সচল রাখার বার্তা দিচ্ছে।