উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ছুটি গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা মাহমুদ আরিফি মনে করেন, পর্যটনকে কেবল দর্শনীয় স্থান দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একে পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, একটি গন্তব্যের সৌন্দর্য ছাড়াও যাতায়াত, আবাসন, খাবারের মান, নিরাপত্তা এবং স্থানীয় সংস্কৃতি ও জীবনধারা পর্যটকদের ভ্রমণকে আরও অর্থবহ করে তোলে।
পর্যটনশিল্পের বিকাশে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সেবার মান বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ। নির্ভরযোগ্য যোগাযোগব্যবস্থা, পরিচ্ছন্ন শৌচাগার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয় প্রয়োজন। এছাড়া স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে পর্যটন কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত করলে তা টেকসই উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।
ছুটি গ্রুপ গাজীপুর, পূর্বাচল ও পুবাইলে আইএসও সনদপ্রাপ্ত রিসোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি বেশ কিছু নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে পুবাইলে ‘ছুটি সিগনেচার’, পূর্বাচলে ‘ছুটি হারমনি’, কক্সবাজারে ‘ছুটি বিচ রিসোর্ট’ এবং শ্রীমঙ্গলে ‘সালতানাত টি রিসোর্ট’ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ‘আনন্দবাড়ি’ নামে বিশেষ উদ্যোগও রয়েছে তাদের পরিকল্পনায়।
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন দেখেন মোস্তফা মাহমুদ আরিফি। তিনি বিশ্বাস করেন, পরিকল্পিত উদ্যোগ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দায়িত্বশীল বিনিয়োগের মাধ্যমে পর্যটনশিল্পকে জাতীয় অর্থনীতির শক্তিশালী চালিকাশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।