উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বৈদেশিক মুদ্রা এবং স্বর্ণ ব্যবসার লাইসেন্সিং, নবায়ন ও লেনদেনের সীমা সংক্রান্ত নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, পূর্ণাঙ্গ মানি চেঞ্জারদের প্রতিটি লেনদেনের তথ্য অনলাইনে সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া, মানি চেঞ্জারদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রার দৈনিক নগদ স্থিতির সীমা ২৫ হাজার মার্কিন ডলার এবং নগদ বাংলাদেশী টাকার স্থিতি ৫০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।
স্বর্ণ ব্যবসার ক্ষেত্রেও কঠোর নিয়ম আরোপ করা হয়েছে। এখন থেকে অনুমোদিত স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের প্রতিটি স্বর্ণবার বা স্বর্ণালঙ্কার আমদানির চালানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পৃথক পূর্বানুমোদন নিতে হবে। পাশাপাশি, স্বর্ণ আকরিক ও ডোরে আমদানির অনুমতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রাথমিক ফি ৩০ লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন নীতিমালায় পূর্ণাঙ্গ মানি চেঞ্জারের লাইসেন্সের মেয়াদ এক বছর এবং স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের লাইসেন্সের মেয়াদ দুই বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকগুলোর জন্য শাখা বা বুথের মাধ্যমে পরিচালিত সীমিত মানি চেঞ্জার কার্যক্রমের ক্ষেত্রেও পৃথক শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। নির্দেশনায় অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিধিমালা কঠোরভাবে পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ভ্রমণকারীদের সুবিধার বিষয়ে বলা হয়েছে, এডি ব্যাংকগুলো প্রতি যাত্রায় সর্বোচ্চ ৫ হাজার মার্কিন ডলার এবং মানি চেঞ্জারগুলো প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ৩ হাজার মার্কিন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রি করতে পারবে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে থাকবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।