উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংকের ব্যাংকক বার্ষিক সভা ঘিরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বৈশ্বিক অর্থনীতির বিভিন্ন ঝুঁকি তুলে ধরা হয়েছে। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে। ২০২৭ সালে তা বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। বুধবার প্রকাশিত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পূর্বাভাস ও আর্থিক স্থিতিশীলতা শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। জুবিলি ইউএসএ নেটওয়ার্কের ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থার নির্বাহী পরিচালক এরিক লেকম্পটে বলেছেন, বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আশাবাদী। তার মতে, এআই বিনিয়োগ নিয়ে প্রত্যাশা অতিরিক্ত আশাবাদী হলে বিনিয়োগ ও আর্থিক বাজারের পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে খারাপ হতে পারে। আইএমএফের উদ্বেগ হলো, এআই খাতে বিনিয়োগের বিপরীতে প্রত্যাশিত আয় ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি না ঘটলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যেতে পারে।
প্রযুক্তির সুফল সব দেশ সমানভাবে পাচ্ছে না কারণ উন্নত প্রযুক্তি ও দক্ষ জনশক্তি থাকা দেশগুলো বেশি সুবিধা পাচ্ছে। ঋণ ও সুদের পাশাপাশি খাদ্য এবং জ্বালানির উচ্চমূল্য বিশ্ব অর্থনীতির সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলছে। জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন, বিদ্যুৎ, উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহের ব্যয় বৃদ্ধি পায়। এরিক লেকম্পটের ভাষ্য অনুযায়ী, উচ্চ ঋণ, মূল্যস্ফীতি এবং খাদ্য ও জ্বালানির বাড়তি দাম মানুষের জীবনে বাস্তব অর্থনৈতিক সঙ্কট তৈরি করছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তাই প্রবৃদ্ধির সুফল কতটা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
এআই ও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত মূল্যায়ন এবং সাইবার নিরাপত্তা অগ্রাধিকার দেয়া প্রয়োজন। জুবিলি ইউএসএ নেটওয়ার্কের বক্তব্য অনুযায়ী, ঋণবাজারের অস্থিরতা এবং সরকারগুলোর ঋণ গ্রহণের ব্যয় বৃদ্ধি বর্তমান অর্থনীতির অন্যতম বড় ঝুঁকি। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে ঋণগ্রস্ত দেশগুলোর আর্থিক চাপ আরো বাড়তে পারে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য টেকসই প্রবৃদ্ধি ও ঋণ ব্যবস্থাপনার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।